আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
23 views
ago in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (40 points)
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। ফরজ গোসল করার সময়।শরীর থেকে পানি বালতিতে পরলে মানে মগ কেটে আবার পানি নেওয়ার সময় তাহলে কি ফরজ গোসল হয়ে যাবে??

গগজজডুনবহহহহহহহহহহজজজজজহহহহহহহহহমজজজমডতআটনহিহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহ

1 Answer

0 votes
ago by (808,740 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
واعلم أن صفة الماء المستعمل حكى بعضهم فيها خلافا على ثلاث روايات. وقال مشايخ العراق: لم يثبت في ذلك اختلاف أصلا بل هو طاهر غير طهور عند أصحابنا جميعا. قال شيخ الإسلام في "شرح الجامع الصغير": وهو المختار عندنا وهو المذكور في عامة كتب محمد عن أصحابنا واختاره المحققون من مشايخ ما وراء النهر, وقال في المجتبى وقد صحت الروايات عن الكل: أنه طاهر غير طهور إلا الحسن وروايته شاذة غير مأخوذ بها كما في مجمع الأنهر, 
জেনে রাখা ভালো যে,ব্যবহৃত পানির বিধান সম্পর্কে কেউ কেউ তিন ধরণের পরস্পর বিরোধী মতামত উল্লেখ করে থাকেন। মাশায়েখে ইরাক্ব বলেন, এ বিষয়ে মূলত কোনো ইখতেলাফ(মতপার্থক্য)নেই। বরং ব্যবহৃত পানি (নিজে) পবিত্র যদিও সে অন্য কাউকেই পবিত্র বানাতে পারে না।জা'মে সগীরের ব্যাখ্যাগ্রন্থে বর্ণিত রয়েছে যে ইহাই পছন্দনীয় মত।আমাদের উলামাদের রেফারেন্সে ইমাম মুহাম্মদের কিতাবসমূহে এটাই বর্ণিত রয়েছে।মা-ওরাউন নাহর এর মুহাক্বিক মাশায়েখগণ ইহাকেই পছন্দ করেছেন।মুজতাবা কিতাবে বর্ণিত রয়েছে যে,সকল কিতাবে ভাষ্যমতে মা'য়ে মুস্তা'মাল(ব্যবহৃত পানি)পবিত্র যদিও সে কাউকে পবিত্র বানাতে পারেনা।শুধুমাত্র হাসান রাহ, এর রেওয়ায়াত একটু ব্যতিক্রম তবে উনার রেওয়ায়াত সায,যা উল্লেখযোগ্য নয়। (হাশিয়াতুত তাহতাবী-আ'লা মারাক্বিল ফালাহ-শামেলা-১/২৩,মাজমা'উল আনহুর,)

উক্ত কিতাবের অন্যত্র বর্ণিত রয়েছে,
 فالحاصل أنه يجوز الوضوء والغسل من الفساقي الصغار ما لم يغلب على ظنه أن الماء المستعمل أكثر, أو مساو ولم يغلب على ظنه وقوع نجاسة فيه وتمامه فيه -
মোটকথাঃ-ছোট্ট পাত্র থেকে ওজু করার জন্য হাত দ্বারা চিল্লু ভরে পানি নেয়ার পর অবশিষ্ট পানি দ্বারা ওজু গোসল জায়েয আছে।যতক্ষণ না ব্যবহৃত পানি অবশিষ্ট পানি থেকে বেশী বা সমান হওয়ার ধারণ হচ্ছে এবং অবশিষ্ট পানিতে কোনো প্রকার নাজাসত পতিত হওয়ার ধারণা হচ্ছে।(হাশিয়াতুত তাহতাবী-আ'লা মারাক্বিল ফালাহ-শামেলা-১/২৬)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/807

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ফরজ গোসল করার সময়।শরীর থেকে পানি বালতিতে পরলে মানে মগ কেটে আবার পানি নেওয়ার সময়, তাহলে ফরয গোসলে কোনো সমস্যা হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

No related questions found

...