ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
وَإِنْ تَمَضْمَضَ أَوْ اسْتَنْشَقَ فَدَخَلَ الْمَاءُ جَوْفَهُ إنْ كَانَ ذَاكِرًا لِصَوْمِهِ فَسَدَ صَوْمُهُ وَعَلَيْهِ الْقَضَاءُ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ ذَاكِرًا لَا يَفْسُدُ صَوْمُهُ كَذَا فِي الْخُلَاصَةِ وَعَلَيْهِ الِاعْتِمَادُ.
রোযাদার ব্যক্তি যদি(অজু করার সময়)গরগরা করে কুলি করে এবং নাকের নরম জায়গায় পানি পৌছায়।অতঃপর সে পানি ভিতরে চলে যায়।যদি তার রোযা স্বরণ থাকা অবস্থায় সে ঐ পানি পৌছিয়ে থাকে, তাহলে তার রোযা ভেঙ্গে যাবে এবং শুধুমাত্র তার কাযা আসবে।কিন্তু যদি তার রোযা স্বরণে না থাকে, তাহলে তার রোযা ভঙ্গ হবে না।(খুলাসাহ)এবং এর উপর-ই ফাতাওয়া।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-২/২০২)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ফরজ রোজা কাযা করার সময় মিসওয়াক করতে যেয়ে যদি অনিচ্ছায় গলায় একটু পানি চলে যায়। রোযার কথা স্বরণ থাকাবস্থায় পানি অনিচ্ছায় ভিতরে চলে গেলে রোযা ফাসিদ হয়ে যাবে,কাযা আসবে কিন্তু কাফফারা আসবে না । তবে রোযার কথা স্বরণ না থাকলে রোযা ফাসিদ হবে না।
ফরয রোযা কাযা করতে যেয়ে যদি অনিচ্ছায় ভেঙে যায়, তাহলে একটির বদলে একটি কাযা করতে হবে।
কোনো কাফফারা আসবে না।