আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
237 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (76 points)
edited by
১.মেয়েদের নাভির উপর কিংবা নিচের অবান্ঞ্চিত লোম ফেললে কি গুনাহ হবে?

২.মোবাইলে ইমারজেন্সি ব্যালেন্স নিলে পরবর্তীতে রিচার্জ করলে তারা ১/২টাকা কেটে নিলে তা কি সুদ হবে?

৩.কেউ যদি ব্যাংক লোন নিয়ে বাড়ি বানায় সেই বাড়িতে থাকা কি জায়েজ হবে?

৪.নামাজের মধ্যে হাজত আশলে যেমনঃবায়ুর চাপ,প্রস্রাব তবে কি নামাজে বেনা করা যাবে?নামাজ ছেড়ে দিয়ে হাজত পুরা করে যেখান থেকে ছেড়েছে সেখান থেকে ওজু করে পুনরায় শুরু করতে পারবে?

৫.চুক্তি পূর্ন করতে অপারগ হলে মাফ চাওয়ার সুযোগও না হলে, চুক্তি ভঙ্গের কারোনে অপর পক্ষের তেমন ক্ষতির আশংকা না থাকলে আখিরাতে এই নিয়ে শাস্তি হবে কি?

1 Answer

0 votes
by (813,960 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
(১) মেয়েদের নাভির উপর কিংবা নিচের অবান্ঞ্চিত লোম ফেলা সুন্নত। গোনাহ হবার প্রশ্নই আসে না। 

(২) https://www.ifatwa.info/1496 নং ফাতাওয়ায় আমরা বলেছি যে, 
ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স-এ বিষয়টাকে অনেকভাবে বিবেচনা করা যায়। কয়েকটি দৃষ্টিভঙ্গি নিচে তুলে ধরা হল।

ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স যাকে একটি পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।এবং কোনো পন্যকে বাকীতে ক্রয়মূল্য থেকে বেশী দিয়েও ক্রয় করা জায়েয আছে।এ হিসেবে আমরা ইমার্জেন্সি ব্যালেন্সকে একটি পণ্য হিসেবেই বিবেচনা করব।যাকে পরবর্তিতে পরিশোধ করার শর্তে ক্রয়মূল্য থেকে বেশী দিয়ে আপাতত ক্রয় করা হচ্ছে।তাই আমরা বলতে পারি ১০টাকা ইমার্জেন্সি এনে ১২টাকা বা তার বেশী পরিশোধ করা বৈধ রয়েছে।

সু-প্রিয় পাঠকবর্গ!
ফেকহী মূলনীতি
إذَا اجْتَمَعَ الْحَلَالُ وَالْحَرَامُ غَلَبَ الْحَرَام
যখন হালাল এবং হারাম কোনো এক বিষয়ে একত্রিত হবে তখন হারামই বিজয়ী হবে।(আল-আশবাহ ওয়ান-নাযাইর-১/৯৩)
উপরোক্ত মূলনীতির আলোকে প্রচলিত ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স সম্পর্কে আমরা এ সিদ্ধান্তে পৌছতে সক্ষম হবো যে,ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স সম্পর্কে অনেক রকম আলোচনা পাওয়া যায়।একদিক দিয়ে চিন্তা করলে হালাল মনে হয় আর অন্যদিক দিয়ে চিন্তা করলে হারাম মনে হয়।সুতরাং যদিও এটা জায়েয, তবে ব্যবহার না করাই উত্তম।

(৩) অন্যত্র থাকা সম্ভব হলে উক্ত বাড়িতে থাকা যাবে না। বরং উক্ত বাড়িতে থাকা নিষেধ। 

(৪) জ্বী, নামাযে হাজত আসলে নামাযকে ছেড়ে দিয়ে হাজতকে পূর্ণ করার পর অজু করে বিনা করতে হবে। অর্থাৎ একাকী হলে যেখানে নামাযকে ভঙ্গ করা হয়েছে , সেখান থেকে আবার নামাযকে পড়া হবে। আর ইমামের সাথে হলে প্রথমে বিনা কিরাতে ছুটে যাওয়া নামাযকে সমাপ্ত করে তারপর ইমামের সাথে শরীক হতে হবে। 

(৫)চুক্তি পূর্ন করতে অপারগ হলে মাফ চাওয়ার সুযোগও না হলে, চুক্তি ভঙ্গের কারোনে অপর পক্ষের তেমন ক্ষতির আশংকা না থাকলে আশা করা যায়, আখেরাতে এ সম্পর্কে রুখসত দেয়া হবে। ক্ষমা করে দেয়া হবে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 404 views
0 votes
1 answer 334 views
...