আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
1,155 views
in কুরবানী (Slaughtering) by (49 points)
আসসালামু আলাইকুম শাইখ

বর্তমান সময়ে কত টাকা থাকলে কুরবানি ওয়াজিব হবে?

আমার জানামতে যাকাতের নিসাব পরিমাণ অর্থ থাকলেই তার ওপর কুরবানি ওয়াজিব।(সাদাকাতুল ফিতর আদায়ের ন্যায়)

অন্য এক পুস্তিকায় লেখা দেখলাম ১০-১২ হাজার টাকা থাকলেই কুরবানি দিতে হবে।

অনুগ্রহ করে টাকার পরিমাণ  উল্লেখ করে জানাবেন।

*আর কোন ব্যক্তি যদি বছরের পর বছর নিসাব পরিমাণ অর্থ থাকা সত্ত্বেও যাকাত,কুরবানি এবং হজ্ব আদায় না করে তাকে নসীহত করার বিধান কি?
জাযাকাল্লাহ খাইরান

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
বিসমিহি তা'আলা
জবাবঃ-
নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয়ভার ব্যতীত প্রত্যেক  নেসাব (৭.৫ ভড়ি স্বর্ণ/৫২.৫ ভড়ি রূপা বা রূপার সমমূল্য) পরিমাণ মালের মালিক স্বাধীন মুসলমানের উপর কুরবানি করা ওয়াজিব।এক্ষেত্রে বাড়ন্ত মাল হওয়া শর্ত নয় এবং এক বৎসর অতিবাহিত হওয়াও শর্ত নয়।যেভাবে সদকাতুল ফিতরের নেবাস ঠিক এভাবে কুবানিরও নেসাব।বিস্তারিত জানুন-1811

নেসাবকে টাকার দ্বারা হিসাব করা যায় না।বরং স্বর্ণ রূপার বাজার মূল্য অনুযায়ী টাকায় নেসাব নির্ধারণ করা হয়।সুতরাং দেখবেন যে,বাজারে ৫২.৫ভড়ি রূপার মূল্য যত হবে, তথ টাকাই কুরবানির নেসাব হবে।অর্থাৎ কুবানির দিন সমূহের কোনো একদিন(তিন দিন) কেউ নেসাব পরিমাণ টাকার মালিক হলে তার উপর একটা বকরি কিরবানি করা ওয়াজিব।১০/১২হাজারের যে কথা আপনি বলছেন,ঐ কথা বিশুদ্ধ নয়।

যে ব্যক্তি অনেকদিন যাবৎ কুরবানি দিচ্ছে না,সামর্থ্য অনুযায়ী হেকমতের সাথে সেই ব্যক্তিকে বুঝানো ও উপদেশ প্রদান করা ফরয।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 167 views
0 votes
1 answer 183 views
...