আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
540 views
in কুরবানী (Slaughtering) by (5 points)
closed by
হজ্বে গমনকারী ব্যক্তির উপর কি কুরবানি ওয়াজিব?
........................................................................................................................................................................................................
closed

1 Answer

0 votes
by (814,680 points)
selected by
 
Best answer
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
কুরবানি দুই প্রকারের হয়ে থাকে।
(১) ঐ কুরবানি যা একজন নেসাব পরিমাণ মালের মুকিম মালিকের উপর ফরয হয়। চায় তিনি বাড়িতে থাকুন বা হজ্বে গিয়ে ১৫ দিন অবস্থানের নিয়ত করুন। উনার উপর কুরবানি ওয়াজিব, চায় তিনি মক্কাতে করবানি দেন বা মদীনাতে কিংবা নিজ বাড়ীতে।

(২) দ্বিতীয় প্রকার কুরবানি দ্বারা 'দমে শোকর' উদ্দেশ্য। যা 'হজ্বে কেরান'(একই ইহরামে প্রথমে উমরা তারপর হজ্ব) বা 'হজ্বে তামাত্তু' (প্রথমে উমরা করার পর সেই ইহরামে হজ্বের নিয়ত করা) কারীর উপর ওয়াজিব হয়।

বদলী হজ্ব কারী যদি হজ্বে ইফরাদ বা শুধুমাত্র হজ্ব করেন, এবং তিনি মক্কায় মুসাফির থাকেন, তাহলে উনার উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে না।তবে মক্কায় ১৫ দিনের অবসাথানের নিয়ত করলে এবং নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হলে, তখন উনার উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে। হজ্বে কেরান বা তামাত্তু কারীর উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে।

মোটকথা, 
যদি হাজী সাহেব হজ্জে কিরান ও হজ্জে তামাত্তু করে থাকেন, তাহলে তার উপর ‘দমে শোকর’ হিসেবে একটি কুরবানী আবশ্যক হয়। তবে যদি তিনি হজ্জে ইফরাদ করেন,এবং তিনি যদি মুকীম হোন তথা মক্কায় পনের থাকার নিয়তে অবস্থান করেন, পাশাপাশি তার নিকট যদি নিসাব পরিমাণ মাল থাকে, তাহলে তার উপর সাধারণ কুরবানী ওয়াজিব হবে। সেটি তিনি সৌদীতেও দিতে পারেন, অথবা নিজ দেশেও দিতে পারবেন।কিন্তু যদি মক্কায় পনের দিন থাকার নিয়ত না করেন, তাহলে তার উপর সাধারণ কুরবানি ওয়াজিব হবে না। 
 
وَيَجِبُ الدَّمُ عَلَى الْمُتَمَتِّعِ شُكْرًا لِمَا أَنْعَمَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَيْهِ بِتَيْسِيرِ الْجَمْعِ بَيْنَ الْعِبَادَتَيْنِ كَذَا فِي فَتَاوَى قَاضِي خَانْ. (الفتاوى الهندية، كتاب المناسك، الباب السابع فى القران والتمتع-1/239، قاضيخان-1/304)
فى الدر المختار:  (عَلَى حُرٍّ مُسْلِمٍ مُقِيمٍ) بِمِصْرٍ أَوْ قَرْيَةٍ أَوْ بَادِيَةٍ عَيْنِيٌّ، فَلَا تَجِبُ عَلَى حَاجٍّ مُسَافِرٍ؛ فَأَمَّا أَهْلُ مَكَّةَ فَتَلْزَمُهُمْ وَإِنْ حَجُّوا،
وقال ابن عابدين الشامى: (قَوْلُهُ فَتَلْزَمُهُمْ وَإِنْ حَجُّوا) اقْتَصَرَ عَلَيْهِ فِي الْبَدَائِعِ وَذَلِكَ لِأَنَّهُمْ مُقِيمُونَ (رد المحتار، كتاب الأضحية-6/315)
والذبح له أفضل ويجب على القارن والمتمتع، وأما الأضحية فإن كان مسافرا فلا يجب عليه وإلا كالمكيى فتجب، كما فى البحر (رد المحتار، كتاب الحج، مطلب فى رمى جمرة العقبة، زكريا-3/534، كرتاشى-2/515)
الأضحية واجبة على كل حر مسلم مقيم موسر فى يوم الأضحى (الهداية، كتاب الأضحية-4/443)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 181 views
...