আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
340 views
in পবিত্রতা (Purity) by (25 points)
এক বোনের বাচ্চা হয়েছে ডিসেম্বরের ৫ তারিখ। সে হিসেবে জানুয়ারির ১৪ তারিখে ৪০ দিন পুরা হয়েছে। তখনও কিছু কিছু রক্ত নির্গত হচ্ছিল বিধায় সে সেই রক্তকে ইস্তেহাযা ধরে সালাত আদায় করা শুরু করে এবং প্রতি ওয়াক্তে নতুন করে অযূ করে। তার ২/৩ দিন পর নতুনভাবে পূর্ণভাবে রক্ত আসা শুরু করে, যেমনটা হায়েযের সময় হয় এবং ৭-৮ দিন পর সেই রক্ত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। যেহেতু ৪০ দিনের পর মাত্র ২/৩ দিন পার হয়েছিল, তাই সে ঐ ৭-৮ দিনের রক্তকেও ইস্তেহাযা ধরে নিয়ে ঐ সময়টাতেও নামায পড়ে।
প্রশ্ন-১ঃ ঐ ৭-৮ দিনের রক্ত কি হায়েয ছিল নাকি ইস্তেহাযা? ঐ সময়ে পড়া সালাত কি হয়েছে?

প্রশ্ন-২ঃ ইস্তেহাযা থেকে পবিত্র হওয়ার নিয়ম কি? অর্থাৎ ইস্তেহাযা শেষ হওয়ার পর কখন থেকে আর প্রতি ওয়াক্তে নতুন অযু করা লাগবে না?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
edited by
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
واقل الطہر بین الحیضتین او النفاس والحیض خمسۃ عشر یومًا ولیالیھا اجماعًا۔
দুই হায়েজ বা নিফাস ও হায়েজের মধ্যে   
পবিত্রতার সর্বনিম্ন সীমা সর্বসম্মতিক্রমে পনেরো দিন পনেরো রাত।(রদ্দুল মুহতার-১/২৮৫)
:ومن جملۃذٰلک الدم المتخلل فی اقل مدۃ الطھرولا یمکن معرفقہ ذٰلک الّا بعد معرفۃ اقل الطھرواقلہ خمسۃ عشر یوماً عندنا۔
পবিত্রতার সর্বনিম্ন সীমার মধ্যে
 দমে মুতাখাল্লিল এর বিধানের সারাংশ হলো পবিত্রতার সর্বনিম্ন সীমা পনেরো দিন হিসেবে ধরে তার পরিচয় জানা যাবে। (তাতারখানিয়া-১/৩২১)
وأقل الطہر بین الحیضتین أو النفاس والحیض خمسة عشر یوماً ولیالیہا إجماعاً (درمختار: ۱/۴۷۷، ط: زکریا دیوبند) 
والناقص عن أقلہ والزائد علی أکثرہ أو أکثر النفاس أو علی العادة وجاوز أکثرہما ․․․․․․ استحاضة ۔ (المصدر السابق)
হায়েজের সর্বনিম্ন সীমার থেকে কম বা বেশি,নেফাসের 
সর্বোচ্চ সীমার থেকে বেশি ইস্তেহাজা।

সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
নেফাসের সর্বোচ্ছ মেয়াদ ৪০ দিন অতিবাহিত হওয়ার ১৫ দিন তুহুর থাকবে।তারপর আপনার পূর্বের অভ্যাস অনুযায়ী হায়েয গণ্য হবে।
যেহেতু এখানে নেফাস শেষ হওয়ার ১৫ দিনের পূর্বে ব্লিডিং শুরু হয়েছে, তাই এটা ইস্তেহাযা। ঐ সময়ে নামায পড়তে হবে।সুতরাং আপনার নামায হয়েছে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (814,710 points)
সংযোজন ও সংশোধন করা হয়েছে।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 535 views
0 votes
1 answer 358 views
0 votes
1 answer 335 views
...