ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
মানুষের হেদায়তের জন্য কুরআনই যথেষ্ট।আল্লাহ তা'আলা বলেন,
إِنَّ هَـذَا الْقُرْآنَ يِهْدِي لِلَّتِي هِيَ أَقْوَمُ وَيُبَشِّرُ الْمُؤْمِنِينَ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًا كَبِيرًا
এই কোরআন এমন পথ প্রদর্শন করে, যা সর্বাধিক সরল এবং সৎকর্ম পরায়ণ মুমিনদেরকে সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্যে মহা পুরস্কার রয়েছে।
আল্লাহর প্রতি প্রেম বুঝানোর জন্য আল্লাহ তা'আলা কুরআনে অনেক ঘটনা নিয়ে এসেছেন।ফেরআনের স্ত্রীর বিবি আছিয়ার কথা এনেছেন।বিভিন্ন নবীদের ইতিহাস নিয়ে এসেছেন।নাফরমানির শাস্তি স্বরূপ বিভিন্ন শাস্তির কথা বলেছেন।বিভিন্ন প্রকারের ধমকি দিয়েছেন।মোটকথা একজন কামিল ঈমানদারের দৃষ্টান্ত উপস্থাপনের জন্য কুরআন হাদীসে যা এসেছে,সেগুলোই যথেষ্ট।
সুতরাং ওয়াজ নসিহতে কুরআন হাদীসের আলোচনা না করে,বে-বুনয়াদ ও বে-আসল তথা ভিত্তিহীন কল্পকাহিনী যেমন,লাইলী-মজনুর ইতিহাস বলা কখনো উচিৎ হবে না,এবং কাম্যও হতো পারে না।