আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
470 views
in সালাত(Prayer) by (36 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ
১.সালাতে সূরা তিলাওয়াতের সময় যদি মাখরাজ গত ভুল হয় তাহলে কি সালাত  বাতিল হয়ে যাবে??
যেমন কোন কোন হরফ উচ্চারণের সময় যিহবা দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লাগাতে হয়। আবার কোন কোন উচ্চারণের সময় যিহবা দাঁতের মাড়ির সঙ্গে লাগাতে হয়। এগুলো না মেনে হরফ উচ্চারণ করলে কি সালাত অশুদ্ধ হবে ??

যেমনঃ লাম দাঁতের মাড়ির গোড়ার থেকে উচ্চারিত হয়। আমি যদি হুবহু সেভাবে উচ্চারণ না করি তাহলে কি সালাত বাতিল হয়ে যায়?

২.যদি অন্য কোন কাজের জন্য প্রাইভেটের   পড়া পড়তে না পারি। এরপরে  প্রাইভেটে যাওয়ার পর স্যার যদি জিজ্ঞেস করে যে পড়াটা পড়েছি নাকি। তখন যদি কোন উত্তর না দিয়ে চুপ করে থাকি তাহলে কি গুনাহ হবে???
এক্ষেত্রে কি আমার বলে দেওয়া উচিত যে আমি পড়িনি?

1 Answer

0 votes
by (807,300 points)
edited by

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
(১)
https://www.ifatwa.info/4350 নং ফাতাওয়ায় আমরা উল্লেখ করেছি যে,
নামাযের কেরাতে যদি তাজবীদে ভূল হয়,যাকে লাহলে খাফী বলা হয়,তাহলে উক্ত নামাযকে দোহড়ানের প্রয়োজন নেই। তাজবীদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-https://www.ifatwa.info/1126 তবে যদি নামাযে এমন কোনো ভূল হয়,যার কারণে অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায়,(এক্ষেত্রে তাজবীদ বিভাগের লাহনে জালী গ্রহণযোগ্য নয়,কেননা তাজবীদের পরিভাষায় এক হরফের স্থলে অন্য হরফ পড়ে নিলেই লাহনে জলী হয়ে যায়,চায় নিকটবর্তী মাখরাজ হোক বা দূরবর্তী মাখরাজ হোক,চায় অর্থ সঠিক থাকুক বা নাই থাকুক)কিন্তু ফুকাহায়ে কেরাম দূরবর্তী মাখরাজের উচ্ছারণের সময়ে এবং অর্থ বিগড়ে যাওয়ার সময়ে নামাযকে ফাসিদ হওয়ার ফাতাওয়া দিয়ে থাকেন।

সুতরাং নামাযে কোনো হরফ উচ্ছারণের সময়ে,সেই হরফের স্থলে তার দূরবর্তী মাখরাজের কোনো হরফ উচ্ছারিত হয়ে গেলে,এবং অর্থ বিগড়ে গেলে নামায ফাসিদ হয়ে যাবে।

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
শুধুমাত্র মাখরাজ পরিবর্তন হলেই নামায ফাসিদ হবে না বরং অর্থও বদলিতে হবে। এজন্য যখন যেই ভূল হবে, সেই ভূল কোনো মুফতি সাহেবের সামনে উপস্থাপন করলেই জানা যাবে যে, উনার নামায কি বিশুদ্ধ হয়েছে।

(২)
চুপ থাকাই কারণ দর্শানোর নামান্তর।অথবা আপনি স্পষ্ট বলে দিতে পারেন যে, আপনি পড়েননি।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (807,300 points)
সংযোজন ও সংশোধন করা হয়েছে।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

+1 vote
1 answer 299 views
0 votes
1 answer 417 views
0 votes
1 answer 354 views
0 votes
1 answer 626 views
...