আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
160 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (99 points)
edited by
১।আসালামুআলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ।

ফোনে মানে মেসেজে কথা হচ্ছিল  স্বামীর সাথে স্ত্রী তালাক ও চায় নি।স্বামীও দিতে চায় না।তহ স্ত্রীর মা বাবা বিয়ে মানতেছিল না তাই সে স্বামীকে বলেছিল আমাকে ভুলে যেতে পারবেন? খুব কান্না করতেছিল স্ত্রী।স্বামী বলে তুমার ভালর জন্য যদি তুমাকে ছেড়ে দিতে হয় দিব।।দেখ তুমার আব্বু কি বলে।। তারপর বলে পরে বাসায় বলব ছেড়ে দিছি। মানে বাবা যেটা সিদ্ধান্ত নেয় এরপর তালাক হয়ে গেলে পরে বাসায় সেটা বলবে বলতেছিল আর কি মানে ভবিষ্যৎ এ ।দেখ তুমার আব্বু কি বলে।যেটা বলে সেটা কর।মানে বাবার সাথে আগে কথা বলে তারপর কি বলে সেটা করতে বলতেছে আর কি।স্ত্রীর কথা হচ্ছে আগে বাবার সাথে কথা বলবে তারপর সিদ্ধান্ত নিবে সেটা স্বামীকে বলতেছিল মেসেজে।সেইজন্য স্বামী বলেছিল দেখ কি বলে তুমার আব্বু যেটা বলে সেটা কর।স্বামী কিন্তু তালাক দিতে চাই নি।স্বামীও কান্না করেছিল কথাগুলো বলার সময়।পরে স্বামী বলেছিল আমি তুমাকে তালাক দিতাম নাকি?  সোজা তুলে নিয়ে আসতাম যে আমার বউ।তখন স্বামী কেনায়া তালাকের ব্যাপারে শুনেও নি কোনদিন।আর স্ত্রী ও তালাক চায় নি।তহ এর দ্বারা কি তালাক হবে?এটা আগে প্রশ্ন করেছিলাম মনে হয়।তালাক হবে না বলেছিল মনে হয় কারন স্ত্রী তালাক চায় নি।

২।প্রশ্নটা কি বুঝেছেন উপরের?

৩।১ নং প্রশ্নের বাবার সাথে পরে কথা বলার পর যদি বাবা যদি তালাক দিয়ে ফেলতে বলে কিন্তুু স্বামী বা স্ত্রী কেও তালাক না দেয় তাহলে কি তালাক হবে? মানে স্ত্রীকে ধরেন পাওয়ার দিছে।কিন্তু স্ত্রী ধরেন তালাক দেয় নি।

1 Answer

0 votes
by (770,190 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
জবাবঃ-


তালাকের বিষয় খুবই মারাত্মক।
হাদীস শরীফে এসেছে-

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ثَلاَثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ النِّكَاحُ وَالطَّلاَقُ وَالرَّجْعَةُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ .
 
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিনটি বিষয় এমন যেগুলির যথার্থ তো যথার্থই এমনকি সেগুলোর কৌতুকের ব্যবহারও যথার্থ: বিবাহ, তালাক, রাজআত। - ইবনু মাজাহ ২০৩৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৮৫

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গরীব।

★শরীয়তের বিধান হল "তালাক দিয়ে দিবো","ছেড়ে দিয়ে দিবো", এ কথা গুলি বলার দ্বারা তালাক পতিত হবে না।
কারণ, ভবিষ্যতের দিকে তালাকের সম্বন্ধ করলে তালাক পতিত হয় না।
এগুলো ওয়াদা মূলক কথা মাত্র,এতে তালাক পতিত হয়না।
(রদ্দুল মুহতার ৪/২৭৪; হেদায়াহ ১/২৮০।)

বিস্তারিত জানুনঃ- 

★প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
(০১)
প্রশ্নের বিবরণ মতে তালাক হবেনা।

(০২)
হ্যাঁ, উপরের প্রশ্নটি বুঝেছি।

(০৩)
এক্ষেত্রে বাবা যদি তালাক দিয়ে ফেলতে বলে, কিন্তুু স্বামী বা স্ত্রী কেউ তালাক না দেয়, তাহলে তালাক হবেনা।

স্ত্রী তালাকের পাওয়ার পেয়েও নিজেকে নিজে যেহেতু তালাক দেয়নি,তাই তালাক হবেনা।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...