আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

+1 vote
523 views
in সাওম (Fasting) by (6 points)
কেউ যদি শবে বরাতের রাতে নামাজ পড়ে শবে বরাতের উদ্দেশ্য না কিন্তু পূর্ণিমা চাঁদের আইমে বীজের রোজার নিয়তে রোজা রাখে আর নামাজ পড়ে, সেটা কি ঠিক আছে ইসলামিক শরীয়ত এর মোতাবেক?  আইমে বীজের রোজা আছে কিন্তু রাতে নামাজ পড়ার কোথাও কি হাদিস এহ আছে?

1 Answer

0 votes
by (814,680 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
ফাতাওয়ায়ে শামীতে২/২৪-২৫ এ বর্ণিত রয়েছে-দুই ঈদের রাত এবং শা'বানের মধ্যরাত এবং রমজানের শেষ দশের রাতে জাগরিত থেকে ইবাদত বন্দেগী করা মুস্তাহাব। এই রজনী সমূহের সমস্ত অংশ বা অধিকাংশ অংশজুড়ে ইবাদত-বন্দেগী করা মুস্তাহাব।
এই রাত্রি সমূহে পূথক পূথক ভাবে ইবাদত-বন্দেগী করতে হবে।জামাত বন্দী হয়ে করা যাবে না। নফল মোটকথাঃ নামায,কুরআন তেলায়াত,হাদীস আলোচনা,তাসবিহ, দুরুদ ইত্যাদি পড়ে রাত্রি জাগরণ করা মুস্তাহাব। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/1163

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মোল্লা আলী কারী রাহ মিরকাত কিতাবে উল্লেখ করেন, যে সারা বৎসরে একান্নটি রোজা রাখা সুন্নত। এর একটি হল, শবে বরাতের রোযা। শবে বরাতের রোযা সম্পর্কে যে হাদীস পাওয়া যায়, তার সনদ অত্যন্ত দুর্বল , বিধায় হানাফি  ফুকাহায়ে কেরামের কেউ কেউ শবে বরাতের রোযাকে নিরুৎসাহিত করে থাকেন। 

মোটকথা,
শবে বরাতের রোযা রাখা যাবে।  যেহেতু ইহুদিরা যে কোনো উপলক্ষ্যে একটি রোযা রাখে, তাই মুসলমানদের উচিৎ দুইটি রোযা রাখা। তবে একটি রোযা রাখলেও সওয়াবে কোনো ঘাটতি আসবে 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (814,680 points)
সংযোজন ও সংশোধন করা হয়েছে।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 1,846 views
0 votes
1 answer 1,397 views
...