আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
467 views
in পবিত্রতা (Purity) by (23 points)
আসসালামু আলাইকুম, আমি আইওএমের দাওয়াহ কোর্সটা করতে আমাদের মাদ্রাসার সকলকে উদ্বুদ্ধ করছি। তারা অনলাইন বিষয়ে অনভিজ্ঞ বলে আমাকে তাদের সহযোগিতায় অনেক সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। এখন রমযান তো কুরআনের সাথে কাটানোর সময়। ব্যস্ততার কারণে হয়তো আমি কোনোদিন কুরআন পড়তে পারিওনি। তাই খারাপ লাগছে। অন্যদিকে আবার দাওয়াহ তো ফরজে কেফায়া। এর মাধ্যমে তো অনেক সওয়াবও হাসিল হবে। তাহলে কি আগে নিজের ফিকির নাকি উম্মতের? অর্থাৎ নফল ইবাদত বেশি জরুরি নাকি দাওয়াহ দেওয়া?

আমার হায়েজের সময়সীমা নির্ধারিত নয়। একেক মাসে একেক রকম। এখন আমি হায়েজের শেষদিকে যদি দেখি রাতের বেলা এখনো পবিত্রতা অর্জন হয়নি কিন্তু সকালে দেখি যে আমি পবিত্র হয়েছি। তাহলে ফজরের নামাজের হুকুম কী হবে? যেহেতু হায়েজের সময় ঘুম থেকে একটু দেরি করে অর্থাৎ ফজরের অনেক পরে উঠা হয়।

1 Answer

0 votes
by (756,750 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
لَأَنْ يَهْدِيَ اللَّهُ بِكَ رَجُلًا وَاحِدًا خَيْرٌ لَكَ مِنْ أَنْ يَكُونَ لَكَ حُمْرُ النَّعَمِ
“তোমার মাধ্যমে যদি আল্লাহ একজন লোককেও হেদায়েত দেন তবে তা তোমার জন্য একটি লাল উট পাওয়া থেকেও উত্তম।” (বুখারী ১২/৩৭)
তিনি আরো বলেন:
مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى كَانَ لَهُ مِنْ الْأَجْرِ مِثْلُ أُجُورِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا
“যে ব্যক্তি হেদায়েতের পথে আহবান করে সে ঐ পরিমাণ সওয়াবের অধিকারী হয় যে ব্যক্তি তদনুযায়ী আমল করে। কিন্তু এতে আহ্বানকারীর সওয়াব কমানো হয় না।”(সুনানু আবি দাউদ-৪৬০৯)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/31389

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনি নিজের ঈমান আ'মল কে প্রথমে বিশুদ্ধ করতে ও বিশুদ্ধ ত্বরিকায় দাওয়াত দিতে প্রথমে ইলম অর্জন করবেন।ইলম অর্জন করার পর দাওয়াতের কাজে মনোনিবেশন করবেন। দাওয়াতের কাজও একটি ইবাদত। দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ একটি শাখা।নিজের ফরয ওয়াজিব ও নফল ইবাদত আদায় করার সাথে সাথে  দাওয়াতের কাজও করবেন। মনে রাখবেন ঐ ইবাদতই ফলপ্রসূ যে ইবাদত দাওয়াতের সাথে হয়ে থাকে।
দাওয়াতের অজুহাত দেখিয়ে নিজের ইবাদতকে বিসর্জন দেয়া যাবে না ঠিকতেমনিভাবে নফল ইবাদতের অজুহাত দেখিয়ে দাওয়াতের কাজকে বিসর্জন দেয়া যাবে না। কখনো যদি দেখেন যে, এই মুহূর্তে আপনার চেষ্টার ফলে আল্লাহর হুকুমে একজন মানুষ হেদায়ত প্রাপ্ত হবে, তাহলে তখন ব্যক্তিগত নফল ইবাদতের চেয়ে দাওয়াতকে প্রধান্য দিবেন।কেননা দাওয়াত এমন একটি ইবাদত যার ফায়দা নিজের কাছেও যেভাবে পৌছবে,অন্যর কাছেও গিয়ে পৌছবে।


(২)
আপনি যদি ফজরের পর ঘুম থেকে উঠে পবিত্রতাকে দেখেন, তাহলে যখন দেখবেন,তখন থেকেই পবিত্র মনে করবেন। সুতরাং ফজর কাযা পড়তে হবে না।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (756,750 points)
সংযোজন ও সংশোধন করা হয়েছে।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

–1 vote
1 answer 288 views
...