আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
490 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (11 points)
closed by
আসসালামুআলাইকুম প্রিয় হুজুর।
একটা বিয়েতে মেয়ে বাসায় না জানিয়ে কোর্ট এ যায় কিন্তু সেখানে দুইজন সাইন করে।কিন্তু ছেলে কবুল বললেও যখন কাজী বার বার প্রস্তাব দিয়ে মেয়েকে কবুল বলতে বলে তখন মেয়ে চুপ করে থাকে বলে না।।পরে ঘটনাবশত চলে যাওয়া হয়।
এইটা কি বিয়ে হয়ছে?
closed

1 Answer

0 votes
by (805,290 points)
selected by
 
Best answer
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
বর কনে মজলিসে থাকাবস্থায় মৌখিক ইজাব কবুল না বলে, শুধুমাত্র কাবিন নামায় দস্তখত দ্বারা বিবাহ সংগঠিত হবে না।

الدر المختار وحاشية ابن عابدين (رد المحتار) (3/ 12):
(فلا ينعقد) بقبول بالفعل كقبض مهر ولابتعاط ولا بكتابة حاضر بل غائب بشرط إعلام الشهود بما في الكتاب۔
مطلب التزوج بإرسال كتاب قوله (ولا بكتابة حاضر) فلو كتب تزوجتك فكتبت قبلت لم ينعقد بحر والأظهر أن يقول فقالت قبلت الخ إذ الكتابة من الطرفين بلا قول لا تكفي ولو في الغيبة تأمل۔

الفتاوی الھندیۃ: (270/1، ط: دار الفکر)
ولا ينعقد بالكتابة من الحاضرين فلو كتب تزوجتك فكتبت قبلت لم ينعقد هكذا في النهر الفائق۔

الفقہ الاسلامی و ادلتہ: (6531/9، ط: دار الفکر)
إن كان العاقدان حاضرين معاً في مجلس العقد وكانا قادرين على النطق فلا يصح بالاتفاق الزواج بينهما بالكتابة أو الإشارة۔


তবে দারুল উলূম দেওবন্দের একটি ফাতাওয়ায় লোকদের সহজতার জন্য এ সম্পর্কে বলা হয় যে, যদি পাত্র পাত্রী উভয় বিয়ে নিয়ে সন্তুষ্ট ও সম্মত থাকে, এবং মৌখিক ইজাব কবুল না করে বরং দস্তখত করে নেয়, তাহলে সহজতার নিমিত্তে এই বিয়ে বিশুদ্ধ হয়ে যাবে।

Fatwa:209-1375/L=1/1440
اگر لڑکی کو یہ معلوم تھا کہ یہ نکاح نامہ ہے اور لڑکی نے بغیر کسی جبر واکراہ کے اس پر دستخط کردیا تھا تو نکاح صحیح اور درست ہوگیا۔

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
সাধারণ শুধুমাত্র দস্তখত দ্বারা বিয়ে সংগঠিত হয় না। তবে যদি কখনো অজ্ঞতাবশত দস্তখত দ্বারা বিয়ে হয়ে যায়, মুখে ইজাব কবুল না হয়, এবং সংসারও হয়ে যায়, তাহলে উক্ত বিবাহকে বৈধ বিবেচনা করা হবে। এটা মূলত মূল বিধান থেকে সরে এসে সহজতার জন্য কিছু সংখ্যক ফুকাহায়ে কেরাম মতামত দিয়েছে। হ্যা, আমাদের দৃষ্টিতে এমতাবস্থায়ও বিবাহ নবায়ন করে নেওয়া উচিত।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...