আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
73 views
in সালাত(Prayer) by (1 point)
আমি এক মসজিদে তারাবী পড়াচ্ছি তো এখানকার লোকজন যত গল্প ও দুনিয়াবি আলাপ আলোচনা আছে সব মসজিদে এসে করে, এমনি ইকামাত হচ্ছে তারপরেও চুপ থাকেনা কথা বলে গল্প করে।এখন আমার জানার বিষয় হলো ইকামাতের সময় কথা বলার হুকুম কি এবং আমি নতুন মানুষ হিসাবে তাদেরকে নিষেধ করবো কিভাবে.....?
বিষয়টা পরিস্কার ভাবে জানালে উপকৃত হতাম।

1 Answer

0 votes
by (770,460 points)
জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم

https://www.ifatwa.info/10015 নং ফাতাওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,
ইকামতের জবাব দেয়া মুস্তাহাব। আজানের জবাব যে শব্দে দেয়া হয়ে থাকে, ইকামতের জবাবও একই শব্দে দিবে। তবে ইকামতে যখন বলা হবে “কাদ কামতিস সালাহ” তখন জবাবে বলবে, “আকামাহাল্লাহ”। বাকিটা আজানের  জবাবের মতই।

হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَوْ عَنْ بَعْضِ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّ بِلَالًا أَخَذَ فِي الْإِقَامَةِ، فَلَمَّا أَنْ قَالَ: قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ، قَالَ: النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَقَامَهَا اللَّهُ وَأَدَامَهَا» وَقَالَ: فِي سَائِرِ الْإِقَامَةِ كَنَحْوِ حَدِيثِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فِي الْأَذَانِ (سنن ابى داود، كتاب الصلاة، باب ما يقول اذا سمع الاقامة-1/78، رقم الحديث-528)
যখন হযরত বিলাল রাযি ইকামত দিলেন,তখন রাসূলুল্লাহ সাঃ আকামাহুল্লাহু ওয়া আদামাহা(আল্লাহ নামাযকে কায়েম করুক এবং রহমত স্বরূপ বাকী রাখুক) তাছাড়া ইকামতের অন্যান্য শব্দ সমূহে আযানের মতই সেই শব্দ দ্বারা জবাব দিতে হবে।যা হযরত উমর রাযির হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।(সুনানে আবি-দাউদ-৫২৪)

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
ইকামতের সময় কথা বলা,দুনিয়াবি গল্প, হাসি-ঠাট্টা করা সুন্নাহ পরিপন্থি কাজ। 

ইকামতের সময় নিয়ম হলো চুপ থেকে ইকামত শুনবেন এবং ইকামতের জবাব দিবেন। 

আযানের ন্যায় ইকামতের জবাব দেওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। 

প্রিয় ভাই!
উক্ত বিষয় গুলি আপনি মুছল্লিদের বুঝাবেন,দ্বীনের সঠিক বুঝ পেলে তারা সংশোধন হয়ে যাবে,ইনশাআল্লাহ। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...