জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم
ইকামতের জবাব দেয়া মুস্তাহাব। আজানের জবাব যে শব্দে দেয়া হয়ে থাকে, ইকামতের জবাবও একই শব্দে দিবে। তবে ইকামতে যখন বলা হবে “কাদ কামতিস সালাহ” তখন জবাবে বলবে, “আকামাহাল্লাহ”। বাকিটা আজানের জবাবের মতই।
হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَوْ عَنْ بَعْضِ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّ بِلَالًا أَخَذَ فِي الْإِقَامَةِ، فَلَمَّا أَنْ قَالَ: قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ، قَالَ: النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَقَامَهَا اللَّهُ وَأَدَامَهَا» وَقَالَ: فِي سَائِرِ الْإِقَامَةِ كَنَحْوِ حَدِيثِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فِي الْأَذَانِ (سنن ابى داود، كتاب الصلاة، باب ما يقول اذا سمع الاقامة-1/78، رقم الحديث-528)
যখন হযরত বিলাল রাযি ইকামত দিলেন,তখন রাসূলুল্লাহ সাঃ আকামাহুল্লাহু ওয়া আদামাহা(আল্লাহ নামাযকে কায়েম করুক এবং রহমত স্বরূপ বাকী রাখুক) তাছাড়া ইকামতের অন্যান্য শব্দ সমূহে আযানের মতই সেই শব্দ দ্বারা জবাব দিতে হবে।যা হযরত উমর রাযির হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।(সুনানে আবি-দাউদ-৫২৪)
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
ইকামতের সময় কথা বলা,দুনিয়াবি গল্প, হাসি-ঠাট্টা করা সুন্নাহ পরিপন্থি কাজ।
ইকামতের সময় নিয়ম হলো চুপ থেকে ইকামত শুনবেন এবং ইকামতের জবাব দিবেন।
আযানের ন্যায় ইকামতের জবাব দেওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
প্রিয় ভাই!
উক্ত বিষয় গুলি আপনি মুছল্লিদের বুঝাবেন,দ্বীনের সঠিক বুঝ পেলে তারা সংশোধন হয়ে যাবে,ইনশাআল্লাহ।