আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
208 views
in পবিত্রতা (Purity) by (2 points)
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।


১)কেউ ধুমপান করলো এবং ৪০ দিনের পূর্বেই তার গোসল ফরজ হলো।এখন এ অবস্থায় ফরজ গোসল আদায় করলে কি তা কবুল হবে নাকি ৪০ দিন পর করতে হবে?

আর ধুমপান করলে কি ৪০ দিন নামাজ কবুল হয় না?

২) কোনো একজন ব্যক্তি একটি সহশিক্ষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক।তবে সেখানকার বেশিরভাগ মেয়েই হিজাব করে আসে (যদিও কিছু সংখ্যক মেয়ে করে না) এবং ছাত্রীদের নিয়েও শিক্ষকের কোনো বাজে চিন্তা নেই।তবে কি এই উপার্জন হালাল হবে?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) 
সৌদি আরবের ফাতাওয়া হল,ধুমপান হারাম।আর দারুল উলূম দেওবন্দের ফাতাওয়া হল,মাকরুহে তাহরিমি। তথা দারুল উলূম দেওবন্দ সহ হানাফি ফিকহ মনে করে যে,ধুমপান হারাম হওয়ার বিষয়টা অকাট্য দলীল দ্বারা প্রমাণিত নয়।সুতরাং ধুমপানকে সরাসরি হারাম বলা যাচ্ছে না,এজন্য ফুকাহায়ে কেরাম মাকরুহে তাহরিমি বলে থাকেন।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/6913

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
কেউ ধুমপান করলে তার ফরয গোসল আদায়ে কোনো সমস্যা হবে না। ৪০ দিন পর ফরয গোসল করতে হবে না। তাছাড়া ধুমপান করলে ৪০ দিন নামাজ কবুল না হওয়ারও কোনো যুক্তি নাই।

(২)
 সহশিক্ষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাকুরীর বেতন হারাম হবে না। তবে নিজেকে সর্বদা হেফাজতে রাখতে হবে। নিজ ঈমান আমলের হেফাজত সর্বদা করতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 199 views
...