আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
109 views
in পবিত্রতা (Purity) by (145 points)
আসসালামুআলাইকুম।

আমার ইস্তেহাজার সমস্যা আছে। বেশিরভাগ মাসেই 10 দিন 10 রাত হিসাব করতে হয়। এই মাসে 10 দিন 10 রাত হওয়ার আগের দিন অর্থাৎ নবম দিনে সারাদিন হায়েয ছিলনা, যেহেতু প্রতিবার 10 দিন হয় তাই অপেক্ষা করছিলাম, যে 10 দিন এর মধ্যে আবার রক্ত আসতে পারে। কিন্তু 9 তম দিন পুরোদিন রক্ত আসেনি। 10 তম দিনের( দিবাগত রাতে) সকালে(ফজর ওয়াক্তে চেক করা হয়নি) যোহরের ওয়াক্তে দেখি যে আবার রক্ত এসছে। 10 তম দিনের যোহরের ওয়াক্তে থেকে আমার তুহুর শুরু। অর্থাৎ 10 দিন 10 রাত এই দিনের যোহরের ওয়াক্তে থেকেই শুরু। এই সময় আমার ফরজ গোসল দিয়ে ইসতেহাজার নিয়ম মত যোহরের নামাজ পড়ার কথা রক্ত থাকুক না থাকুক। এখন আমি যে ফজরের ওয়াক্তে চেক করিনি, এর আগের দিন পুরো দিন রক্ত ছিলনা, আজকে জোহর ওয়াক্তে (তূহুর শুরু) রক্ত দেখেছি, এখন আমি কি গতকাল এর ওয়াক্তে থেকে আমার তুহূর শুরু ধরব? যখন রক্ত ছিলনা? নাকি আজকে জোহর থেকেই গোসল করে নামাজ আদায় করব জোহর থেকে, আর এই জোহর ওয়াক্তে কেই তুহর এর শুরু ধরে নিবো? দয়া করে জানাবেন।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হায়েযের সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬) তথা সাদা রং ব্যতীত সকলপ্রকার রং ই হায়েযের অন্তর্ভুক্ত।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/78

ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে,
فَإِنْ لَمْ يُجَاوِزْ الْعَشَرَةَ فَالطُّهْرُ وَالدَّمُ كِلَاهُمَا حَيْضٌ سَوَاءٌ كَانَتْ مُبْتَدَأَةً أَوْ مُعْتَادَةً وَإِنْ جَاوَزَ الْعَشَرَةَ فَفِي الْمُبْتَدَأَةِ حَيْضُهَا عَشَرَةُ أَيَّامٍ وَفِي الْمُعْتَادَةِ مَعْرُوفَتُهَا فِي الْحَيْضِ حَيْضٌ وَالطُّهْرُ طُهْرٌ. هَكَذَا فِي السِّرَاجِ الْوَهَّاجِ.
«الفتاوى الهندية» (1/ 37)
মাঝেমধ্যে হায়েয হওয়া আবার মাঝেমধ্যে বন্ধ হওয়া, দশ দিনের ভিতর সবকিছুই হায়েয হিসেবে গণ্য হবে।চায় এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন ঐ মহিলা প্রথমবার হোক বা এ ব্যাপারে অভ্যস্ত থাকুক। যদি রক্তস্রাব দশদিন অতিক্রম করে যায়, তাহলে প্রথমবার এ পরিস্থিতির সম্মুখিন মহিলার জন্য দশদিন হায়েয। আর কোনো এক সংখ্যায় আদত ওয়ালী মহিলার জন্য তার পূর্বের আদতই হায়েয় এবং বাদবাকী সময় তুহুর।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৭,কিতাবুল-ফাতাওয়া-২/১০৮,কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/১৭২)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
পরিপূর্ণ ১০ দিন ১০ রাত আপনি কোন ভিত্তিতে হায়েয গণনা করেন, সেটা উল্লেখ করেননি। যাইহোক, যদি প্রথম থেকেই মাসের অধিকাংশ দিন রক্তপাতের দরুণ আপনি ১০ দিন ১০ রাত হায়েয গণনা করে থাকেন, অথবা ১০দিন ১০ রাত আপরার আদত বা অভ্যাস থাকে, তাহলে এবারও পরিপূর্ণ ১০ দিন ১০ রাত হায়েয গণনা করবেন। অতিরিক্ত ইস্তেহাযা হিসেবে বিবেচিত হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 159 views
0 votes
1 answer 247 views
...