আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
220 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (76 points)
https://ifatwa.info/53788/ এই ফতোয়া এবং https://ifatwa.info/118257/ এই ফতোয়া দুইটা দুই রকম কেনো? প্রথমটায় বলা হয়েছে মেয়েরা চুল কাটতে পারবে তবে পুরুষের বাবরি চুল সাদৃশ্য না হলে আবার পরের ফতোয়ায় বলা হচ্ছে মেয়েদের চুল কাটা মোটেও জায়েজ নেই!এমনকি স্বামী বললেও।লম্বাই রাখতে হবে।গত দুবছর আমি প্রথম ফতোয়া দেখে চুল কেটে আসছি,পিঠ পর্যন্ত রাখছি এখন এই ফতোয়া দেখে পুরো কনফিউজড হয়ে গিয়েছি।কোনটা অনুসরন করবো?

আমি চুল রাখায় বেশ অলস,কঠিন বোধ হয় তার উপর চুল খুব পরে,সারা ঘরে আমার চুল পরে থাকে।এহেন অবস্থায় কেটে ছোট করে রাখলে আমার সুবিধা হয়।এখন কি করবো।কোমড়ের নিচ পর্যন্ত রাখার কথা ভাবলেও দম বন্ধ হয়ে আসে!

1 Answer

0 votes
by (814,680 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
অতএব যে মহিলার চুল এত লম্বা যে, কিছু অংশ কাটলে পুরুষের চুলের সাথে সাদৃশ্য হবে না, এবং পুরুষ বা বিজাতীয়দের অনুকরণের ইচ্ছাও নেই, তার জন্য ঐ সামান্য পরিমাণ কাটা জায়েয হবে। পক্ষান্তরে যার চুল তত লম্বা নয়; বরং অল্প কাটলেই কাঁধ সমান হয়ে যাবে এবং পুরুষের বাবরী চুলের মতো দেখা যাবে তার জন্য অল্প করেও কাটারও অনুমোদন নেই। তবে জটিল অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার প্রয়োজনে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে চুল ছোট করা, এমনকি জরুরতবশতঃ মুন্ডানোরও অনুমোদন রয়েছে। তবে সর্বাবস্থায় ফ্যাশনের অনুকরণ করা থেকে বিরত থাকা জরুরী। উপরোক্ত মূলনীতির আলোকে মহিলারা তাদের চুল কাটতে পারবে।  এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/3051

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মহিলাদের চুল মুন্ডানো হারাম যা হাদীস থেকে বুঝা যাচ্ছে। তবে চুল কর্তন করা যে হারাম সেটার দলীল হল, পুরুষের সাদৃশ্য গ্রহণের হাদীস যা ফাতাওয়ায়ে শামীর ইবারত থেকে বুঝা যাচ্ছে।  সুতরাং পুরুষের সাদৃশ্য হয়, এমন পদ্ধতির চুল কর্তন জায়েয হবে না। এটাই হল মূল বিধান। যেহেতু অধিকাংশ নারীরা পুরুষের সাদৃশ্য গ্রহণের নিমিত্তেই চুলকে কর্তন করে থাকে, তাই অনেকেই সাধারণ চুল কর্তনকে নাজায়েয বলেছেন। সুতরাং আপনার প্রদত্ত লিংকের দু'টির ফাতাওয়া এর মধ্যে আপাতত কোনো বিরোধিতা মনে হচ্ছে না। অনুমোদনকৃত লিংকটি রুখসতের ফাতাওয়া এবং নাজায়েয সম্বলিত ফাতাওয়াটি আজিমত সম্বলিত ফাতাওয়া। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...