আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
15 views
in পবিত্রতা (Purity) by (60 points)
মুহতারাম মুফতি সাহেব আমার লেখাটা অনেক বড় তাও  একটু কষ্ট করে গুরুত্ব দিবেন অনেক পেরেশানি লাগছে।
আমার শশুরবাড়ির খুব কাছের একজন মানুষের বাসায় আমার মাঝেমধ্যেই যাওয়া লাগে।  উনাদের আমি বুঝাইসি কিভাবে কাপড় পাক করতে হয় ফ্লোর পাক করতে হয় বা বাচ্চাকে গোসল দিতে হয়।
কিন্তু উনারা এসব কিছুই মানে না বলে জানি।
এখন উনার বাসায় গেলে আমার খুব দিশেহারা লাগতে থাকে কিভাবে কি করব। উনাদের বাসার সবকিছু আমার কাছে নাপাক লাগে যেহেতু উনারা কিছুই মেইনটেইন করে না। খাবার দাবার খাইতে গিয়েও অস্বস্তি লাগতে থাকে।
আমার বাচ্চা আছে। দেখা যায় ওদের গামছা দিয়ে আমার বাচ্চার মুখ মুছায় দিল।  তারপর  উনাদের বাসার বাচ্চারাও আমার বাচ্চাকে এনে খাবার দিতে থাকে। ওই বাচ্চাদের ও তো সেই নাপাক করে গোসল করায় বা নাপাক গামছা দিয়ে মুছে দেয়।  ফ্লোরও জানিনা কতটুকু পাক করে।
ওদের সাথে আমার চলাও লাগবে এখন কোনো একটা সহজ সমাধান আমাকে দেন মুফতি সাহেব। আমি কিভাবে মানুষের সাথে চলব। অনেক সময় আমার কাছে লাগে তারা আমাকে ভয় পায় এই পাক নাপাক নিয়ে কি করব এসব ভেবে।
তাদের বাসার তোশক প্রস্রাব দিয়ে ভরা সেই তোশকের উপর ( পাতলা চাদর হয়তো থাকে সেই চাদর ও তো পাক করে ধোয় না)  পানি ফেলা সেই পানি ধরা ভেজা গামছা প্লেট বাটি রাখা কোনোকিছুই বাদ দেয় না।
আমি কি করব আমাকে একটা সহজ সমাধান দেন। ইসলাম কি এতই কঠিন আসলে?  নাকি আমি কঠিন করছি আমাকে জানান। আমার বাচ্চা থাকাতে আমার আরও বেশি পেরেশানি লাগে। বাচ্চাকে তো আমি সবকিছুতে আটকাইতে পারব না। তাদের কাপড়ের সাথে আমার কাপড় ও মেলা লাগে শুকানোর জায়গা যেহেতু ১/২ টাই।
আবার আমি সবকিছু স্পষ্ট করে জানি ও না কতটা কি নাপাক।  কোনো কাপড় যদি আসলে পাক করে ধোয় সেটাও তো জানিনা। তাদের বাচ্চাদেরকে কোলেও নেয়া লাগে।

1 Answer

0 votes
ago by (696,450 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ইয়াকিন বিশ্বাস ব্যতিত কোনো হুকুম প্রমাণিত হয়না। যেমন ইতিপূর্বে একটি মূলনীতি আমরা উল্লেখ করেছি যে, আল্লামা ইবনে নুজাইম রাহ,লিখেন,
اﻟْﻘَﺎﻋِﺪَﺓُ اﻟﺜَّﺎﻟِﺜَﺔُ: اﻟْﻴَﻘِﻴﻦُ ﻻَ ﻳَﺰُﻭﻝُ ﺑِﺎﻟﺸَّﻚِّ - ﻭَﺩَﻟِﻴﻠُﻬَﺎ ﻣَﺎ ﺭَﻭَاﻩُ ﻣُﺴْﻠِﻢٌ ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻣَﺮْﻓُﻮﻋًﺎ {ﺇﺫَا ﻭَﺟَﺪَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓِﻲ ﺑَﻄْﻨِﻪِ ﺷَﻴْﺌًﺎ ﻓَﺄَﺷْﻜَﻞَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺃَﺧَﺮَﺝَ ﻣِﻨْﻪُ ﺷَﻲْءٌ ﺃَﻡْ ﻻَ ﻓَﻼَ ﻳَﺨْﺮُﺟَﻦَّ ﻣِﻦْ اﻟْﻤَﺴْﺠِﺪِ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﺴْﻤَﻊَ ﺻَﻮْﺗًﺎ، ﺃَﻭْ ﻳَﺠِﺪَ ﺭِﻳﺤًﺎ} 
ভাবার্থঃতৃতীয় উসূল,ঈয়াক্বিন(দৃঢ় বিশ্বাস)সন্দের দ্বারা খতম হয় না।[তথা কারো কোনো বিষয় সম্পর্কে দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে, সে বিষয় সম্পর্কে বিপরিত কোনো সন্দেহের উদ্রেক হলে পূর্ব বিশ্বাসের কোনো ক্ষতি হবে না।অর্থাৎ নতুন করে জন্ম নেয়া সন্দেহ অগ্রহণযোগ্য ]
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/293

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যতক্ষণ পর্যন্ত নাপাকির ব্যাপারে পূর্ণ ইয়াকিন বিশ্বাস না জন্মাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি তাদের বাড়ীঘরকে পাক পবিত্রই মনে করবেন। অর্থাৎ দৃশ্যমান নাপাকি যতক্ষণ পর্যন্ত কাপড় বা শরীরে না লাগবে, ততক্ষণ পর্যন্ত নিজের কাপড় বা শরীর এবং তাদের বাসা ও বাসার আসবাবপত্রকে পাক গণ্য করবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...