ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হযরত আয়েশা রাযি থেকে বর্ণিত,
وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ -: " «الْمَاهِرُ بِالْقُرْآنِ مَعَ السَّفَرَةِ الْكِرَامِ الْبَرَرَةِ، وَالَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَيَتَتَعْتَعُ فِيهِ وَهُوَ عَلَيْهِ شَاقٌّ لَهُ أَجْرَانِ» " مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, কুরআন সম্পর্কে বিজ্ঞজনদের হাশর হবে, আ'মলনামা লিখক পবিত্রতম ফিরিস্তাদের সাথে। আর যে ব্যক্তি কোরআন পড়তে আটকে যায় এবং এমন অবস্থায় সে কুরআনকে পড়ে যে, কুরআনের উচ্ছারণ তার জন্য কষ্টকর লাগে।সে ব্যক্তি দু'টি সওয়াব পাবে।(প্রথম সওয়াব পাবে পড়ার জন্য এবং দ্বিতীয় সওয়াব পাবে কষ্ট করে পড়ার জন্য)(মিশকাতুল মাসাবিহ-২১১২)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1126
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) যদি কোনো ব্যক্তি কোরআন মাজীদের তিলাওয়াতকে সহিহ করার চেষ্টা চালিয়ে যায়,তবে কোনভাবেই কিছু করতে না পারে। তাহলে এমতাবস্থায়ও তার উচিত সহিহভাবে পড়ার চেষ্টা করা এবং চেষ্টা প্রচেষ্টাকে পরিহার না করা।
(২) তিলাওয়াত যদি সঠিক না হয় এবং হরফের সিফাত কিংবা মাখরাজে ভুল থাকে, তাহলেও কুরআনুল কারীম হিফয করতে শুরু করা উচিত। এবং পাশাপাশি সহিহভাবে পড়ার চেষ্টাকে অভ্যাহত রাখা উচিত।