জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ غَشَّنَا فَلَيْسَ مِنَّا»
হযরত আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেনঃ যে ধোঁকা দেয়, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভূক্ত নয়। {মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-২৩১৪৭, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-১৬৪, সুনানে দারেমী, হাদীস নং-২৫৮৩, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২২২৫, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৪৯০৫}
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْمُسْلِمُونَ عَلَى شُرُوطِهِمْ
হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেনঃ মুসলমানগণ তার শর্তের উপর থাকবে। {সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৩৫৯৪, সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-২৮৯০, শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং-৪০৩৯}
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
মেট্রোরেলের নিয়মে কি এই ধরণের “বিপরীত দিকে গিয়ে আবার আসা” অনুমোদিত কি না।
যদি নিয়মে স্পষ্টভাবে নিষেধ থাকে যে আপনি টিকিটের রুট ছাড়া অন্য দিকে যেতে পারবেন না, তবে তা করা মেট্রোরেলের চুক্তিভঙ্গ ও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত সম্পদ ব্যবহার হিসেবে গণ্য হবে। ইসলামে এমনটি গুনাহ এবং হারাম।
যদি নিয়মে অনুমতি থাকে বা সিস্টেম এমনভাবে তৈরি যে ভাড়া কাটা হবে কেবল চূড়ান্ত যাত্রাপথের ওপর, এবং তারা এ ব্যাপারে আপত্তি করে না, তবে তা শরীয়তের দৃষ্টিতে বৈধ হবে।
ইসলামে অন্যের সম্পদ বা সেবা বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বৈধ নয়।
(কুরআন: "ولا تأكلوا أموالكم بينكم بالباطل", সূরা বাকারা 2:188)
সুতরাং, যদি মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ এই ধরণের ঘুরপথে যাওয়াকে ক্ষতিসাধন বা অবৈধ ব্যবহার হিসেবে গণ্য করে, তাহলে তা করা উচিত নয়।
সুতরাং যদি আপনি সিস্টেম বা মেট্রোরেলের নিয়ম লঙ্ঘন না করে থাকেন, এবং তারা এমন ভ্রমণকে অনুমোদিত করে, তাহলে শরীয়তে কোনো সমস্যা নেই।