ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ أَن يَقْتُلَ مُؤْمِنًا إِلَّا خَطَأً ۚ وَمَن قَتَلَ مُؤْمِنًا خَطَأً فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مُّؤْمِنَةٍ وَدِيَةٌ مُّسَلَّمَةٌ إِلَىٰ أَهْلِهِ إِلَّا أَن يَصَّدَّقُوا ۚ فَإِن كَانَ مِن قَوْمٍ عَدُوٍّ لَّكُمْ وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مُّؤْمِنَةٍ ۖ وَإِن كَانَ مِن قَوْمٍ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُم مِّيثَاقٌ فَدِيَةٌ مُّسَلَّمَةٌ إِلَىٰ أَهْلِهِ وَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مُّؤْمِنَةٍ ۖ فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ تَوْبَةً مِّنَ اللَّهِ ۗ وَكَانَ اللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا
মুসলমানের কাজ নয় যে, মুসলমানকে হত্যা করে; কিন্তু ভুলক্রমে। যে ব্যক্তি মুসলমানকে ভূলক্রমে হত্যা করে, সে একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে এবং রক্ত বিনিময় সমর্পন করবে তার স্বজনদেরকে; কিন্তু যদি তারা ক্ষমা করে দেয়। অতঃপর যদি নিহত ব্যক্তি তোমাদের শত্রু সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয়, তবে মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে এবং যদি সে তোমাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ কোন সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয়, তবে রক্ত বিনিময় সমর্পণ করবে তার স্বজনদেরকে এবং একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে। অতঃপর যে ব্যক্তি না পায়, সে আল্লাহর কাছ থেকে গোনাহ মাফ করানোর জন্যে উপর্যুপুরি দুই মাস রোযা রাখবে। আল্লাহ, মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। (সূরা নিসা-৯২)
প্রকাশ থাকে যে, অনিচ্ছাকৃত মুসলিম হত্যার শাস্তি হল, হত্যাকারী ধারাবাহিক ৬০ টি রোযা রাখবে।এবং দিয়ত আদায় করা হবে।
দিয়ত কত?
এক হাজার দিনার যা ৩৭৫ ভড়ি স্বর্ণের সমপরিমাণ।
দশ হাজার দিরহাম যা ২৬২৫ ভড়ি রূপার সমপরিমাণ।
কে আদায় করবে?
দিয়ত আকেলা তথা হত্যাকারীর সংশ্লিষ্ট গোষ্টি বা সম্প্রদায়ের উপর ওয়াজিব হবে।
কত দিনের ভিতর আদায় করতে হবে?
সর্বোচ্চ তিন বৎসরের মধ্যে তা আদায় করতে হবে।
মুসলিম সেনাবাহিনীর হাতে অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো মুসলিম মারা গেলে সেই মুসলিমকে দিয়ত দিতে হবে। সেনা কল্যাণ তহবিল এবং হত্যাকারীর আত্মীয় স্বজন এই দিয়ত বহন করবে।