বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا ۚ إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلًا كَرِيمًا
তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারও এবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব-ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না এবং বল তাদেরকে শিষ্ঠাচারপূর্ণ কথা।(সূরা বনি ইসরাঈল-২৩)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বিয়ের কোনো বয়স নেই, তবে উপযুক্ত হওয়ার পরই সংসার স্থাপন করতে হবে। আপনার বড় বোনের পূর্বে আপনার বিয়ে নাজায়েয হবে না। তবে সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার শর্তে বড়কে প্রথমে বিয়ে দেয়া ছোটকে পরে বিয়ে দেয়ার যেই মনমানসিকতা বাবা মাযের মনের মধ্যে ঘুরপাক খায়, সেটাকে অগ্রাহ্য না করাই যুক্তিসঙ্গত। সর্বক্ষেত্রে বাবা মায়ের পরামর্শ মুতাবেক সামনে অগ্রসর হওয়ার মধ্যে প্রত্যেক সন্তানের জন্য কল্যাণ নিহিত রয়েছে।