আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
30 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (26 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম।
আমার বিয়ের তদবির আনতে একজন আলেমের কাছে যাই। তিনি প্রথমে একটা তাবিজ দেন, যে এটা বাঁধলেই কাজ হবে, অথবা অনেকগুলো আমল করতে হবে(তাবিজ কিছু করছেনা, আল্লাহ করছেন এমন বিশ্বাস রেখে তাবিজ পরলে হানাফিতে শিরক হয়না)। কিন্তু বাকি অন্য মাজহাবে শিরক বলে। শিরকের মত এত বড় পাপে কোনো সন্দেহ রাখতে চাইনি, তাই তাবিজ না নিয়ে আমলগুলো নেই। কিন্তু সেই আমলগুলোতে ছিল সূরা আহযাব বোতলে ভরে দেয়ালে মাথার দিকে টানিয়ে রাখা। এটা আমি এতদিন করলেও এখন সন্দেহ হচ্ছে এটাও শিরক কীনা। আবার হাতের কবজিতে ধরে ইয়াফাত্তাহু বলা এগুলোও কেমন যেন লাগছে। এগুলো তো কোনোটাই সুন্নত না, প্রমাণিত আমল হতে পারে।
বোতলে সূরা রাখা, হাতের কবজায় ধরা এগুলো কি না করলে ভালো হবে সন্দেহমুক্ত থাকতে?
এগুলো বাদেও এতবার এটা বলা, ওটা বলা এগুলো
করা কি ইসলামের দৃষ্টিতে ঠিক?
সুন্নত তো সম্ভবত দরুদ ইস্তিগফার পড়ে দুয়া করতে থাকা, তাহাজ্জুদ পড়া। এখন দরুদ কুরআন তিলাওয়াত আগের মত করা হয়না, কিন্তু এগুলো করলেও ভালো লাগে, ইস্তিগফারও করা হয়। তবে দরুদ, কুরআনের আমল এগুলোর জন্য কমে গেছে নাকী এমনিতেই অলসতার কারণে সেটা জানিনা।

1 Answer

0 votes
by (737,820 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। 
عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كُنَّا نَرْقِي فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، كَيْفَ تَرَى فِي ذَلِكَ؟ فَقَالَ: اعْرِضُوا عَلَيَّ رُقَاكُمْ لَا بَأْسَ بِالرُّقَى مَا لَمْ تَكُنْ شِرْكًا
তিনি বলেন, আমরা জাহিলী যুগে ঝাড়ফুঁক করতাম। অতঃপর আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এ বিষয়ে আপনার অভিমত কি? তিনি বলেনঃ তোমাদের ঝাড়ফুকের ব্যবস্থাগুলো আমার সামনে পেশ করো; তবে যেসব ঝাড়ফুঁক শির্কের পর্যায়ে পড়ে না, তাতে কোনো দোষ নেই।[মুসলিম (২২০০)-৬৪, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬০৯৪, আবূ দাঊদ ৩৮৮৬, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১০৬৬, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ৩২৫৭, ‘ত্ববারানী’র আল মু‘জামুল কাবীর ১৪৫১৫, মুসতাদরাক হাকিম ৭৪৮৫, বায়হাক্বী’র কুবরা ২০০৮১, আস্ সুনানুল সুগরা ৪২৮৯, মা‘রিফাতুস্ সুনান লিল বায়হাক্বী ৫৯৫৪, আল জামি‘উস্ সগীর ১৯২৮, সহীহুল জামি‘ ১০৪৮]


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আল্লাহ সবকিছুর খালিক ও মালিক,জগতের সব কিছু উনার হুকুমেই সংগঠিত হয়,তাবিজ বা ঔষধের অদ্য কোনো ক্ষমতা নেই।এমন আক্বিদা পোষণ করে শিরিক মুক্ত কালিমা দ্বারা চিকিৎসা হিসেবে ঝাড়-ফুক ও তাবিজ ব্যবহার বৈধ আছে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/226

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বোতলে সূরা রাখা, হাতের কবজায় ধরা এগুলো না করলে ভালো যদি আপনার সংশয় বা সন্দেহ থাকে। তবে এটা এতবার বলা, ওটা এতবার বলা। এভাবে সংখ্যা দ্বারা কোনো কিছু নির্ধারিত করা উচিত নয়। যতবেশী সম্ভব হয়, ততবার পড়াই উচিত।
দুরুদ, ইস্তিগফার পড়ে, দুয়া করে, তাহাজ্জুদ পড়ে আল্লাহর উপর তাওয়াককুল করে নিতে পারলে সেটা কতইনা উত্তম। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...