আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
112 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (7 points)
আসসালামু আলাইকুম
সরাসরি সমস্যার কথা শুরু করলাম।

একজনের সাথে অনলাইনে কথা হত আগে। সে
আমাকে পছন্দ করতো।  আমারও তাকে ভালো
লাগতো। তবে হারামের ভয়ে ধীরে ধীরে কথা বলা বন্ধ করে দেই।

তবে সে মাঝে মাঝে নক করত বিভিন্ন ভাবে কিন্তু আমি রিপ্লাই দিতাম না। তাদের বাসা থেকে বেশ কয়েকবার
প্রস্তাব পাঠিয়েছে।  আমার বাসা থেকে আমার কাছে জিজ্ঞেস করেছিল দেখতে আসবে কি না। কিন্তু আমি না করে দিয়েছিলাম।  কারণ আসলে আমিও বলতে
পারবো না। সিদ্ধান্তহীনতাও একটি কারণ।
পারিবারিক ভাবে যখন বিয়ের কথা উঠে  তখন আমার মনে হয় আল্লাহ তাআলা মনে হয় আমার উপর অসন্তুষ্ট হয়ে তার সাথে বিয়ের ব্যবস্থা করছেন। কারণ
কোরআনের একটি আয়াতে আছে না যে,
অসচ্চরিত্রদের জন্য অসচ্চরিত্র জীবন সংগী দেওয়া
হবে। তাই আমার মনে হয় যেহেতু আগে কথা বলতাম তাই বুঝি আল্লাহ আমাকে এই জীবন সংগী দিচ্ছেন।
আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারি না পিছিয়ে যায় ভয়ে।

আবার মনে হয় এখন অনেক ভালো আছি বিয়ের পর অনেক দায়িত্ব পালন করতে হবে,  আবার নানা সাংসারিক সমস্যা সামলাতে হবে, আমার বোনের বিয়ের পর নানা সাংসারিক ঝামেলা সেইসব শুনে সবমিলিয়ে মনে হয় আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে এখনো
অবিবাহিত রেখেছেন।  আমি এখনই তো অনেক ভালো আছি। কিন্তু আমার বিয়ের ইচ্ছা আছে কারণ এটি
আমাদের রসূল ( স.) এর সুন্নাহ।
অন্যান্য জায়গা থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসে মাঝে মাঝে কিন্তু দেখে পছন্দ করে গেলেও সেটি আর আগায় না,  আমাদের দিক থেকেই আমরা সিদ্ধান্ত দিতে পারি না।
কয়েক মাস আগে জানতে পেরেছি আমার বিয়ে বন্ধ
করা রয়েছে। তারপর সেটি কাটিয়ে এনেছি। বর্ণনা শুনে বুঝতে পেরেছি যার সাথে আগে কথা হত সেই এই কাজ করেছে। আম্মু জানে এই বিষয়টা। এটিও একটি কারণ তাদের প্রস্তাবে আমার না বলার। আমি জেনেছি জাদূ
করা কবীরা গুনাহ। ঈমান থাকে না। আর সে আমার বিয়ে বন্ধ করে রেখেছিলো। তারও তো তাহলে এখন
ঈমান নেই। আমি এগুলো জেনে তো আর রাজি হতে পারি না।
এদিকে আমার বয়স বেড়ে যাচ্ছে।  আব্বু আম্মু
আমাকে নিয়ে চিন্তিত। যার সাথে কথা হত তার প্রতি
আবেগ কাজ করে। তবে সে যা করেছে তা মনে পড়লে মনে হয়, আমি চাইলেও তাদের প্রস্তাবে রাজি হতে
পারবো না কারণ এতে আমি আল্লাহর কাছে কীভাবে মুখ দেখাবো। অন্য কোথায় বিয়ের কথা চিন্তা করলে
মনে হয়,  বিয়ের পরও যদি তার কথা মনে পড়ে বা ফিলিংস কাজ করে তখন কি হবে? যার সাথে বিয়ে হবে সে যদি এগুলো জানতে পারে তখনও বা কি হবে?

সব মিলিয়ে আমি অনেক অশান্তির মধ্যে আছি।

আমার মনে হয় বিয়ে এখনো বন্ধ করাই আছে।

এই কারণ গুলো আমি কাউকেই বলিনি। তারা আমার আব্বুর পরিচিত। আম্মু একদিন আমাকে বলেছে, মানা করে দেওয়ার পরও তার ফ্যামিলি থেকে আবার প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। আম্মু বলছে তোর আব্বু ওদের চেনে, ভালো আছে। কি করবি ভেবে দেখ। আমি সেইভাবে কিছু বলতে পারিনি। আমিই মানা করে দিয়েছিলাম তারপরও আমার মনে পড়ে তার কথা।  কিন্তু তার সাথে বিয়ের কথা আসলে প্রথম থেকে যে কারণ গুলো
বললাম ওই গুলো মাথায় চলে আসে।
ইস্তেখারা করেছি কিন্তু বুঝতে পারছি না। দয়া করে জানাবেন আমার কি করা উচিত?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আপনি/আপনারা ধৈর্য্য সহকারে পরিস্থিতির মুকাবেলা করুন। নামায ও ধৈর্য্যর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুন।
وَاسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلَاةِ ۚ وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ
ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব।(সূরা বাকারা-৪৫)
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍْ ﺍﺻْﺒِﺮُﻭﺍْ ﻭَﺻَﺎﺑِﺮُﻭﺍْ ﻭَﺭَﺍﺑِﻄُﻮﺍْ ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍْ ﺍﻟﻠّﻪَ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢْ ﺗُﻔْﻠِﺤُﻮﻥَ
হে ঈমানদানগণ! ধৈর্য্য ধারণ কর এবং মোকাবেলায় দৃঢ়তা অবলম্বন কর। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা তোমাদের উদ্দেশ্য লাভে সামর্থ হতে পার।(সূরা আলে ইমরান-২০০)


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনি তাহাজ্জুদ নামায পড়ে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...