আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
101 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (17 points)
আমার পূর্বের একটা প্রশ্ন ছিল যে শ্বশুর শ্বাশুড়ির আলমারি থেকে না বলে টাকা নেয় সেটা দিয়ে বাজার করলে খাওয়া যাবে কিনা আর হাজব্যন্ড বেকার উস্তায বলেছেন সেই বাজার সদাই জায়েজ নেই। আরও কিছু কথা ছিল তাই আবার জানতে আসলাম
উনি মাঝে মাঝে টাকা নেন। তবে কখন কখন নেন সেটা আমি দেখিনা। বেশিরভাগ সময় উনি নিজের টাকা দিয়েই বাজার সদাই করে। এমতাবস্থায় আমি কিভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করে খাবো বুঝতেছিনা। আর সংসারের সমস্ত বাজার উনিই করেন। এগুলো না খেলে না খেয়েই থাকতে হবে কারন হাজব্যন্ড এর কোন ইনকামই নাই।
একটু জানালে মুনাসিব হতো আজকেও তরকারি রান্না করেছি যেখানের তরকারি উনি কয়েকদিন আগে নিজের টাকা দিয়েই করেছে। আর মাছ কিনেছে আজকে।সেখানের তরকারি খাওয়া যাবে মাছ বাদে? যেহেতু কাল উনার থেকে টাকা নিয়েছে তাই ধরে নিয়েছি যে এই টাকা দিয়েই নিয়েছে। আর কালকে আমি বুঝতে পেরেছি কারন আলমারির চাবি রান্না ঘরে ছিল আমিও তখন সেখানেই ছিলাম। সবসময় তো জানা পসিবল না। আর হয়তো আগেও উনি অনেক এমন করেছে আর সেই বাজার সদাই আমরা খেয়েছি না জেনেই।

আজকে পেয়ারাও এনেছে আমার জন্য। আমি উনাকে বলেছি খাবোনা আপনি না বলে টাকা৷ নিয়ে তা দিয়ে এনেছেন উনি বলে না আমি নিজের টাকা দিয়েই এনেছি।এখন আমি কোনটা বিশ্বাস করবো বুঝতেছিনা। আর যদি উনি সেই টাকা দিয়েই আনে তাহলে কি এই পেয়ারার সমপরিমাণ দাম দিয়ে খেতে পারবো?

1 Answer

0 votes
by (806,910 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
https://www.ifatwa.info/132047 নং ফাতাওয়ায় আমরা বলেছিলাম যে,
অন্যর মাল তার অন্তরের সন্তুষ্টি ব্যতীত কারো জন্য হালাল হয় না। হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত,
عن ابن عباس قال;قال رسول اللّٰه صلى اللّٰه عليه و سلم ﻻ ﻳﺤﻞ ﻣﺎﻝ ﺍﻣﺮﺉ ﻣﺴﻠﻢ ﺇﻻ ﺑﻄﻴﺐ ﻧﻔﺲ ﻣﻨﻪ " 
নবী কারীম সাঃ বলেনঃ"কোন মুসলমানের জন্য  অন্য কোনো মুসলমানের মাল তার অন্তরের সন্তুষ্টি ব্যতীত হালাল হবে না। (তালখিসুল হাবীর-১২৪৯)আরো জানুন- https://www.ifatwa.info/3747 (শেষ)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
কারো মাল তার অনুমতি ব্যতিত অন্যর জন্য নাজায়েয ও হারাম। আপনার বিবরণমতে যদি বিষয়টা এমনই হয়, তাহলে আপনি আপনার স্বামীকে বলবেন, বিষয়টা নিয়ে একটু চিন্তাফিকির করতে। আপনার ভরণপোষণ আপনার স্বামীর উপর ওয়াজিব। তার যদি কোনো প্রকার ইনকাম না থাকে, এবং এইভাবে খাবার গ্রহণ করতে আপনাকে বলে, তাহলে আপনার জন্য খাবার গ্রহণ এবং জরুরত পূর্ণ করণ যদিও জায়েয তথাপি আপনার স্বামীকে জবাবদিহিতার কাঠগড়ায় দাড় হতে হবে। আপনার স্বামী তার মাতা এবং পিতাকে একত্র করে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করতে বলবেন। স্বামীর মাতার যদি মৌনসম্মতি থাকে, তাহলে তো আর কোনো সমস্যাই নেই। আশা রাখি সন্তান ও তার পরিবারের ক্ষেত্রে মাতাপিতার সদয় দৃষ্টি থাকে, তাই তারা এ বিষয়ে নমনীয় থাকবে, এবং তাদের মৌনসম্মতি থাকবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...