আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
74 views
in পবিত্রতা (Purity) by (34 points)
১. একজন ব্যক্তি যদি পাক নাপাক ঠিকভাবে খেয়াল না করে(এটা নিশ্চিত সে প্রায় সবসম নাপাক থাকে), তাহলে সে গোসল করে আসার পরে ভেজা হাত দিয়ে পাক ভেজা কাপড়(চিপলে পানি পড়বেনা এমন) ধরলে কি সে পাক কাপড়টি নাপাক হবে, নাকী নাপাকির চিহ্ন দেখা যাওয়ার আগপর্যন্ত পাকই থাকবে?

২. এবং এরপরে যদি ওই কাপড়টি শুকনা কোনো নাপাক জায়গায় রাখা হয় এবং ওই কাপড়ে নাপাকির কোনো চিহ্ন না দেখা যায়(সর্দি থাকায় গন্ধ শোঁকা হয়নি), তবুও কি কাপড়টি পাকই থাকবে নাকি নাপাক হবে?

৩. হাতের আঙুলে নাপাক পানি লেগে শুকিয়ে গেলে সেটা পরে পানি দিয়ে ধোয়ার নিয়ম কী? অন্য আঙুল দিয়ে ঘষে পানি ঢেলে পরিষ্কার করতে হবে, নাকী শুধু পানি ঢাললেই হবে?

৪. পানির মত বর্ণ-গন্ধহীন নাপাকি যদি কাপড়ের কোনো অংশে লেগে শুকায় এবং কোনো চিহ্ন না থাকে, তাহলে প্রবাহিত পানিতে সেই কাপড় ধোয়ার নিয়ম কী?
অনুমানে সন্দেহ দূর হওয়ার আগপর্যন্ত শুধু পানি দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিলেই হবে?

৫. বাথরুমে সাধারণত অজু করার জন্য বসার জায়গা থাকেনা। তাই পায়ে নাপাকি লেগে থাকলে সেটা ধোয়ার সময় স্যান্ডেল খুলে পা উঁচু করে ঘষে ধোয়া কঠিন।
তাহলে কি স্যান্ডেল পায়ে পরা অবস্থায়ই পায়ের আঙুল নাড়াচাড়া করে পায়ের নাপাকি ধুয়ে নিলে যথেষ্ট হবে?
বা দুইপা তেই নাপাকি থাকলে হাত ব্যবহার না করে শুধু এক পা দিয়ে অন্য পা ঘষে পানি ঢেলে দিলেই হবে?

৬. স্পঞ্জের স্যান্ডেলে অদৃশ্য গন্ধহীন নাপাকি লেগে শুকিয়ে গেলে সেটা ধোয়ার জন্য কি আঙুল দিয়ে পুরোটা স্যান্ডেল ঘষে পানি ঢেলে পরিষ্কার করতে হবে, নাকী শুধু পানি ঢেলে দিলেই পাক হয়ে যাবে?

1 Answer

0 votes
by (762,960 points)
بسم الله الرحمن الرحيم 

ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। 

বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । 

এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। 

আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। 

আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 429 views
...