আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

+1 vote
116 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (8 points)
আমাদের ঘরের ১৩ বছরের বাচ্চা ছেলে.. গত ৩ মাস ধরে জ্বিন-যাদু তে আক্রান্ত.... একেকবার একেক রকম হয়ে যায়... কখনো সেন্সলেস,, কখনো এগ্রেসিভ,, কখনো হাত-পা অবশ হয়ে যায়,, কখনো বুকে প্রচণ্ড ব্যথা হয়,, কখনো কথা বন্ধ হয়ে যায়,,, আমরা মেডিক্যালি সব ধরণের টেস্ট করেছি,, রিপোর্ট নরমাল,,,, ডাক্তার দেখিয়েছি,সব নরমাল... এখন সারাদিনে কয়েকবার করে জ্বিন শোয়ার হয় শরীরে... গত ৩ মাস ধরেই জ্বিন শোয়ার হলে আমাদের একজন নিকটাত্মীয়ের নাম বলে যে উনি জ্বিন পাঠাইছে আমাদের ধ্বংস করার জন্য...যার নাম বলে উনিই এলাকায় ও জাদুকর বলে পরিচিত... এবং আমাদের রক্ত সম্পর্কীয়..গত ১৫ বছর ধরে বিভিন্ন প্রকারের জাদু করেইই যাচ্ছে,,, অসুস্থতার,, সম্পর্ক বিচ্ছেদ,,হত্যার জাদু,, সৌন্দর্য নষ্টের,,রিজিক বন্ধের,,পড়ালেখা নষ্টের...এমন কোনো জাদু নেই যেটা তে আমার পরিবার আক্রান্ত হয়নি,,,আমরা রুকইয়াহ করতে করতে আর রাকিদের টাকা দিতে দিতে ক্লান্ত,,,২ বছর আগেও আমাদের আরো একজন বাচ্চা ছেলে মারা গেছে ,, এবং বর্তমানে যে বাচ্চার জ্বিন শোয়ার হয় তখন বলে ২ বছর আগে মারা যাওয়া বাচ্চাটার জন্যও হত্যার জাদু করে মেরে ফেলা হয়েছে...তখনো চালান জ্বিন দিয়েছিল হত্যা করার উদ্দেশ্যে.. .. আমাদের এই রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক -যোগাযোগ কিছুই নেই,,, আমরা তাদের থেকে দূরে থাকি,,, তারা গ্ৰামে, আমরা শহরে... এখন আমাদের কি করা উচিত এই আত্মীয়ের জন্য??! আমাদের বাচ্চাটাকে এই নিয়ে ৬/৭ জন হুজুর/রাকি দেখানো শেষ,,,, ছেলের সামনে কোরআন তিলাওয়াত করলেই অগগ্যান হয়ে যায়,,, শুধু আউযুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ পড়তে না পড়তেই অগগ্যান হয়ে যায়,,, কোনো কোরআন তিলাওয়াত তার সামনে করা যায় না... আর জেনারেল পড়াশোনা করতে গেলেও অগগ্যান হয়ে যায়... তার লক্ষণ দেখলেই বুঝা যাচ্ছে পড়ালেখা নষ্টের/হত্যার জাদু করা হয়েছে.... ঘরে সূরা বাকারা অথবা রুকিয়াহর অডিও মোবাইলে চালাইলেও অগগ্যান হয়ে যায়... বাথরুমে গেলেও অগগ্যান হয়ে যায়,,,তাহলে ওর চিকিৎসা এখন কিভাবে করব ???!!.. আমরা দুয়া-দরুদ পড়ে ঝাড়ফুঁক করতে গেলেই ও কি একটা মন্ত্র পড়ে এবং ও বলে এটা নাকি ওকে জ্বিনেরাই শিখাইছে আর এটা পড়লে আর দুয়া দরুদে কোনো কাজ হবে না.... প্রথম ২ মাস আমরা একটা রুক ইয়াহ সেন্টারের আন্ডারে চিকিৎসা নিয়েছি,,কোনো উন্নতি নাই দেখে আবার ঢাকা থেকে রাকি এনে টানা ৩ দিন ৫ ঘন্টা করে রুকইয়াহ করেছি...রাকি যতক্ষণ ঘরে থাকত ততক্ষণ ঠিক,,রাকি বাইরে গেলেই আবার আগের মতো অগগ্যান হয়ে যায়..,আমরা এখন কিভাবে ওর রুকইয়াহ করাব?? কি চিকিৎসা করাব ??.. আমাদের যে নিকটাত্মীয় গত ১৫ বছর ধরেই আমাদের ওপর এরকম জুলুম করে যাচ্ছে তার জন্য কি স্টেপ নিতে পারি??!! ... ঘরে প্রতিদিন সূরা বাকারা চালানো হয়... সবাই ৫ ওয়াক্ত নামাজসহ সকাল বিকালের মাসনুন আমল সব করা হয়... বড়রা সবাই সেল্প রুকইয়াহ করে পানি খাই,, বড়ই পাতার গোসল করি.. রাকি যেসব পরামর্শ দিছে সেগুলো করি.... বাচ্চাটার জন্য কি করব????

1 Answer

+1 vote
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আপনি/আপনারা ধৈর্য্য সহকারে পরিস্থিতির মুকাবেলা করুন। নামায ও ধৈর্য্যর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুন।
وَاسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلَاةِ ۚ وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ
ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব।(সূরা বাকারা-৪৫)
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍْ ﺍﺻْﺒِﺮُﻭﺍْ ﻭَﺻَﺎﺑِﺮُﻭﺍْ ﻭَﺭَﺍﺑِﻄُﻮﺍْ ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍْ ﺍﻟﻠّﻪَ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢْ ﺗُﻔْﻠِﺤُﻮﻥَ
হে ঈমানদানগণ! ধৈর্য্য ধারণ কর এবং মোকাবেলায় দৃঢ়তা অবলম্বন কর। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা তোমাদের উদ্দেশ্য লাভে সামর্থ হতে পার।(সূরা আলে ইমরান-২০০)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। তাহাজ্জুদ নামায পড়ে কায়মনোবাক্যে আল্লাহর কাছে সন্তানের জন্য কল্যাণ কামনা করুন। ভালোমানের কোনো সহীহ আকিদা সম্পন্ন রাকির শরণাপন্ন হোন। আল্লাহ আপনার সন্তানের কল্যাণ করুক। তাকে সুস্থ করে তুলুক।আমীন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...