আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
81 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (73 points)
উস্তাদ, আমার প্রশ্ন হলো: একজন ছেলে আছে, সে ক্লাস ৮-এ পড়ে — মাদ্রাসায়। আমি দাওয়াতি কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আর সে-ও আগ্রহী ছিল। কিন্তু তাদের বিল্ডিং আলাদা, মানে আলাদা ভবনে ক্লাস হয়।

তারপর তার আম্মু আমাকে বলেছিলেন— যদি খুব অল্প সময়ের জন্যও ছেলের সঙ্গে দেখা করি, তাহলে যেন আমি নিজে অথবা ছেলেটিকে দিয়ে তার আম্মুকে ফোন করে জানিয়ে দিই।

একদিন রাস্তায় আমাদের দেখা হয়েছিল, পরে মসজিদেও দেখা হয়। দুই জায়গাতেই কয়েক মিনিট থেমে কথা হয়েছিল। কিন্তু তার আম্মুকে ফোন দেওয়া হয়েছিল কি না— আমি জানি না। তার কাছে ফোন ছিল; তাকে আমি বলেছিলাম। সে বলেছিল 'সমস্যা নেই', কিন্তু তার আম্মু বিশেষভাবে বলেছিলেন অল্প সময়ের দেখা করলেও জানাতে হবে।

আমি একবার ফোনে জিজ্ঞেসও করেছিলাম— অল্প সময়ের জন্য দেখা হলেও কি ফোন করে জানাতে হবে? তখন তার আম্মু বলেছিলেন, হ্যাঁ জানাতে হবে। এখন ছেলেটি ফোন করতে প্রথমে চাইছিল না — পরে করেছে কি না জানি না।

তার আম্মু মূলত বলেছিলেন এ কারণে: ছেলের কোচিং থাকে। কোচিং থেকে যদি ফোন করে জিজ্ঞেস করে, 'ছেলে কোথায়?', তখন তিনি কী বলবেন?

আমার প্রশ্নসমূহ:

1এখন কি এটি  (ওয়াদা ভঙ্গ) হিসেবে গণ্য হবে?

2আমার কি তার আম্মুকে ফোন করে এখন  ভুল হয়ে গেসে যে দুঃখ প্রকাশ করার জন্য ফন করে জানিয়ে দেওয়া দরকার ? যদিও দিনটি ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গেছে।

3আমি যদি এখন ফোন দিই , তাহলে কি গুনাহ হবে? মানে— “ওইদিন ফোন দেওয়া হয়নি দুঃখ প্রকাশ করে”— এটি না জানালে কি গুনাহ হবে?

৪ আর যদি জানাতে হয় তাহলে আর কিছুদিন পড়ে জানালে গুনাহ হবে?

1 Answer

0 votes
by (814,620 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻋَﻦْ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ : ( ﺁﻳَﺔُ ﺍﻟْﻤُﻨَﺎﻓِﻖِ ﺛَﻠَﺎﺙٌ : ﺇِﺫَﺍ ﺣَﺪَّﺙَ ﻛَﺬَﺏَ ، ﻭَﺇِﺫَﺍ ﻭَﻋَﺪَ ﺃَﺧْﻠَﻒَ ، ﻭَﺇِﺫَﺍ ﺍﺅْﺗُﻤِﻦَ ﺧَﺎﻥَ ) ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ( 33 ) ، ﻭﻣﺴﻠﻢ ( 59 ) .
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, মুনাফিকের আ'লামত তিনটি(১)যখন কথা বলে তখন সে মিথ্যা বলে(২)যখন ওয়াদা করে তখন সে  ওয়াদাকে ভঙ্গ করে(৩)যখন তার নিকট আ'মানত রাখা হয় তখন সে তাতে খেয়ানত করে।(সহীহ বুখারী-৩৩ সহীহ মুসলাম-৫৯)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/663

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ওয়াদাকে রক্ষা করা জরুরী তবে ওয়াজিব নয়। ওয়াদা কে যথাসম্ভব পালন করা উচিত। যেহেতু আপনি সময় মতো রক্ষা করতে পারেননি, তাহলে এখন তার মায়ের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে নিবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...