আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
75 views
in সালাত(Prayer) by (9 points)
আসসালামু আলাইকুম। আমি যে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাচ্ছি সেটা হল। বর্তমানে আমার পরিবারে একটি নিয়ম চালু করা হয়েছে যে ছেলে মেয়ে সকলে একসাথে নামায জামায়াতের সাথে আদায় করবে। অবশ্যই মেয়েরা আলাদা পর্দার আড়ালে করবে। এবং সেখানে আমার ভাসুরগণ থাকবেন। বিশেষ করে ফজরের সালাত এবং এশার সালাত একসাথে আদায় করার জন্য বলা হয়েছে। এবং ফজরের পর আমলসমূহ এবং সুরা ইয়াসিন ওখানে বসে পড়ার জন্য বলা হয়েছে। তেলাওয়াত উচ্চস্বরে করার জন্য বলা হয়েছে। এতে আমাদের তেলাওয়াত সহি হবে। এই বিষয়ে যিনি পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি আমার দেবর বর্তমানে মিশরে আল-আযাহারে পড়াশোনা করেছেন। এবং আমার বাকি ভাসুরগণ ও আলহামদুলিল্লাহ মুফতি এবং আলেম।
তবে আমি এভাবে একসাথে জামাতে এবং পর্দার ওপারে ভাসুরদের উপস্থিতিতে সালাত আদায়ে স্বাচ্ছন্দ বোধ করছি না। যেহেতু তারা আমার থেকে বিজ্ঞ। এবং আমি জেনারেল পড়ুয়া। এ বিষয়ে তাদের সাথে কোন মতবিরোধও করতে পারছি না। আমি এই বিষয়ে আমার ওস্তাদের পরামর্শ চাচ্ছি আমার জন্য কোনটা করা ভালো হবে।

1 Answer

0 votes
by (770,460 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

বাসায়,হোস্টেলে, মেসে,রুমে জামা'আত করলে যদিও জামা'আতের সাথে নামাজ আদায়ের ছওয়াব পাওয়া যাবে।

তবে বিনা ওযরে মসজিদে জামা'আতে শরিক না হয়ে এইভাবে ঘরে জামা'আতের অভ্যাস গড়ে তোলা জায়েজ নেই।  
এতে গুনাহ হবে।

হাদীস শরীফে বিনা ওযরে মসজিদে এসে জামা'আত ছেড়ে দেওয়ার উপর কঠিন হুমকি এসেছে।

 حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ أَبِي جَنَابٍ، عَنْ مَغْرَاءٍ الْعَبْدِيِّ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ سَمِعَ الْمُنَادِيَ فَلَمْ يَمْنَعْهُ مِنَ اتِّبَاعِهِ عُذْرٌ " . قَالُوا وَمَا الْعُذْرُ قَالَ خَوْفٌ أَوْ مَرَضٌ " لَمْ تُقْبَلْ مِنْهُ الصَّلَاةُ الَّتِي صَلَّى

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মুয়াযযিনের আযান শুনা সত্ত্বেও কোনরূপ ওজর ছাড়া (বিনা কারণে) জামা‘আতে সলাত আদায়ে বিরত থাকে তার অন্যত্র (একাকী) সলাত কবুল হবে না। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, ওজর কি? নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ভয়-ভীতি অথবা অসুস্থতা। 
আবূ দাঊদ ৫৫১, আল জামি‘ ৫৬৩৪, দারাকুত্বনী ১৫৫৭।
বায়হাক্বী ‘সুনানুল কুবরা’ (৩/৭৫), হাকিম (১/পৃঃ ২৪৫), দারাকুতনী (১/পৃঃ ৪২১), 

وسئل الحلواني عمن یجمع بأہلہ أحیاناً، ہل ینال ثواب الجماعۃ؟ فقال لا، ویکون بدعۃ ومکروہاً بلا عذر۔ (فتح القدیر ۱؍۳۴۵)
সারমর্মঃ
হালওয়ানি রহঃ কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো যে কেহ তার পরিবার নিয়ে মাঝে মাঝেই ঘরে জামা'আত করে,সে কি জামা'আতের ছওয়াব পাবে?
তিনি বলেছিলেনঃ না, এটি বিদ'আত ও মাকরুহ হবে।      
واختلف العلماء في إقامتہا في البیت، والأصح أنہا کإقامتہا في المسجد إلا في الأفضلیۃ۔ (شامي ۲؍۲۹۰ زکریا)
সারমর্মঃ
ঘরে জামা'আতের সাথে নামাজ পড়ার ব্যাপারে উলামায়ে কেরামদের মাঝে মতবিরোধ রয়েছে। 
ছহীহ মত হলো এটি মসজিদে জামা'আতের ন্যায়।
তবে উত্তম হলো মসজিদেই নামাজ আদায় করা।    
   
فإذا ترکہا الکل مرۃ بلا عذر، أثموا، فتأمل۔ (شامي ۱؍۵۵۲ کراچي، ۲؍۲۸۸ زکریا)
সারমর্মঃ
কেহ যদি বিনা ওযরে প্রত্যেকবার মসজিদের জামা'আত তরক করে,তাহলে সে গুনাহগার হবে।    
,
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,   
কখনো ওযর বশত এভাবে বাসায় জামা'আত করা যাবে।
তবে এটিকে অভ্যাসে পরিণত করা যাবেনা।
বিনা ওযরে এমনটি করা যাবেনা।

সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে যেভাবে বলা হয়েছে যে নিয়মিত আপনাদের বাসায় ঈশা আর ফজরের নামাজের জামাত হবে,এমনটি শরীয়ত কর্তৃক অনুমোদিত নয়।
,      
মসজিদে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব অনেক বেশি, তাই পুরুষ সদস্যদের মসজিদেই নামাজ পড়া উচিত।

মহান আল্লাহ তায়ালা সুরা বাকারার ৪৩ নং আয়াতে ইরশাদ করেনঃ 

وَ اَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتُوا الزَّکٰوۃَ وَ ارۡکَعُوۡا مَعَ الرّٰکِعِیۡنَ ﴿۴۳﴾
আর তোমরা সালাত প্রতিষ্ঠা কর ও যাকাত দাও এবং রুকূ’কারীদের সাথে রুকূ কর।

এর মর্ম এই যে, সালাত আদায়কারীগণের সাথে সালাত আদায় কর। অর্থাৎ “রুকূ’কারীদের সাথে” শব্দদ্বয়ের দ্বারা জামা'আতের সাথে সালাত আদায়ের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَرَّادٍ الأَشْعَرِيُّ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ أَعْظَمَ النَّاسِ أَجْرًا فِي الصَّلاَةِ أَبْعَدُهُمْ إِلَيْهَا مَمْشًى فَأَبْعَدُهُمْ وَالَّذِي يَنْتَظِرُ الصَّلاَةَ حَتَّى يُصَلِّيَهَا مَعَ الإِمَامِ أَعْظَمُ أَجْرًا مِنَ الَّذِي يُصَلِّيهَا ثُمَّ يَنَامُ " . وَفِي رِوَايَةِ أَبِي كُرَيْبٍ " حَتَّى يُصَلِّيَهَا مَعَ الإِمَامِ فِي جَمَاعَةٍ " .
আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ আল আশ'আরী ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার হাঁটার পথ (অর্থাৎ- ঘর) মসজিদ থেকে বেশী দূরে সে সলাতের অধিক সাওয়াব লাভের হাকদার। আর যে ব্যক্তি সলাতের জন্য অপেক্ষা করে ইমামের সাথে (জামা'আতে) সলাত আদায় করে সে ঐ ব্যক্তির চেয়ে বেশী সাওয়াবের হাকদার যে একাকী সলাত আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ে।

আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে "জামা'আতে ইমামের সাথে সলাত আদায় করে" কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে। (মুসলিম শরীফ ১৩৯৯.ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৮৫, ইসলামীক সেন্টার ১৩৯৭)

حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّاءُ بْنُ عَدِيٍّ، أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ عَمْرٍو - عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ الأَشْجَعِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ تَطَهَّرَ فِي بَيْتِهِ ثُمَّ مَشَى إِلَى بَيْتٍ مِنْ بُيُوتِ اللَّهِ لِيَقْضِيَ فَرِيضَةً مِنْ فَرَائِضِ اللَّهِ كَانَتْ خَطْوَتَاهُ إِحْدَاهُمَا تَحُطُّ خَطِيئَةً وَالأُخْرَى تَرْفَعُ دَرَجَةً " .

ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বাড়ী থেকে পাক-পবিত্র হয়ে (ওযু করে) তারপর কোন ফারয (ফরয) সলাত আদায় করার জন্য হেঁটে আল্লাহর কোন ঘরে (মাসজিদে) যায় তার প্রতিটি পদক্ষেপের একটি পাপ ঝরে পড়ে এবং অপরটিতে মর্যাদা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। (মুসলিম শরীফ ১৪০৭.ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৯৩, ইসলামীক সেন্টার ১৪০৫)

عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُطَرِّفٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ غَدَا إِلَى الْمَسْجِدِ وَرَاحَ أَعَدَّ اللهُ لَهُ نُزُلَهُ مِنَ الْجَنَّةِ كُلَّمَا غَدَا أَوْ رَاحَ.

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় যতবার মসজিদে যায়, আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে ততবার মেহমানদারীর ব্যবস্থা করে রাখেন। (মুসলিম ৫/৫১, হাঃ ৬৬৯, আহমাদ ১০৬১৩) (বুখারী ৬৬২.আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬২৯)

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
এভাবে যদি পর্দার ওপারে দাঁড়িয়ে মহিলা সদস্যরা জামাতে নামাজ আদায় করে, তাহলে নামাজ আদায় হয়ে যাবে।

তবে নির্ভরযোগ্য মত অনুসারে মহিলাদের কন্ঠও যেহেতু পর্দার অন্তর্ভুক্ত, তাই জোরে আওয়াজে কথা বলা যাবে না, জোরে আওয়াজে কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে না, জোরে আওয়াজে জিকির আজকার করা যাবে না।  যদি গাইরে মাহরাম অর্থাৎ ভাসুর বা দেবর কেহ শোনে, তাহলে এতে গুনাহ হবে।

আরো জানুনঃ- 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (9 points)
জাযাকাল্লাহু খাইরান। আমি জানতে চাচ্ছিলাম যে, মেয়েদের জন্য কোথায় কিভাবে নামাজ পড়া উত্তম? 
by (770,460 points)
হযরত উম্মে  হুমাইদ আস সাআদী রাযি. থেকে বর্ণিত, একবার তিনি রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর নিকট এসে আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনার পিছনে নামাজ আদায় করতে চাই। নবী করীম ﷺ উত্তরে বললেন,

 قَدْ عَلِمْتُ أَنَّكِ تُحِبِّينَ الصَّلاةَ مَعِي وَصَلاتُكِ فِي بَيْتِكِ خَيْرٌ لَكِ مِنْ صَلاتِكِ فِي حُجْرَتِكِ وَصَلاتُكِ فِي حُجْرَتِكِ خَيْرٌ مِنْ صَلاتِكِ فِي دَارِكِ وَصَلاتُكِ فِي دَارِكِ خَيْرٌ لَكِ مِنْ صَلاتِكِ فِي مَسْجِدِ قَوْمِكِ وَصَلاتُكِ فِي مَسْجِدِ قَوْمِكِ خَيْرٌ لَكِ مِنْ صَلاتِكِ فِي مَسْجِدِي قَالَ فَأَمَرَتْ فَبُنِيَ لَهَا مَسْجِدٌ فِي أَقْصَى شَيْءٍ مِنْ بَيْتِهَا وَأَظْلَمِهِ فَكَانَتْ تُصَلِّي فِيهِ حَتَّى لَقِيَتْ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ

‘আমি ভালো করেই জানি, তুমি আমার পিছনে নামাজ আদায় করতে চাও। কিন্তু তোমার জন্য তোমার রুমে নামাজ আদায় করা অন্য রুমে আদায় করার চেয়ে উত্তম। আর তোমার ঘরের কোনো রুমে আদায় করা বাড়িতে আদায় করার চেয়ে উত্তম। আর তোমার  বাড়িতে নামাজ আদায় করা কওমের (এলাকার ) মসজিদে আদায় করার চেয়ে উত্তম। আর তোমার কওমের (এলাকার ) মসজিদে নামাজ আদায় করা আমার পিছনে নামাজ আদায় করার চেয়ে উত্তম। এরপর ঐ মহিলা তার অন্ধকার কুঠরিতে নামাজের জন্য জায়গা নির্ধারণ করে নেয়। এবং মৃত্যু পর্যমত সেখানেই নামাজ আদায় করতে থাকে।’ (মুসনাদে আহমাদ ৩৭/৪৫)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 464 views
...