وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
অনিচ্ছাবশত গলায় ধোঁয়া, ধুলাবালি, মশা, মাছি চলে গেলে রোজা ভঙ্গ হয় না। (শামি: খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা-৩৬৬)।
এছাড়াও ফতওয়ার কিতাবে উল্লেখ আছে যে, ‘চাই তা পেটের ভেতরে চলে যাক না কেন। কেননা এগুলোকে মানুষ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে না। যদিও মুখে তার স্বাদ অনুভব হয়।’ (ফতওয়ায়ে কাজিখান: ১/২৯৮)
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রা.) এক লোকের কণ্ঠনালিতে মাছি ঢুকে গেলে তাকে বললেন, এতে তোমার রোজা ভঙ্গ হয়নি। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা-৩৪৯; ফাতহুল কাদির, খণ্ড: ০২, পৃষ্ঠা : ২৫৮)
রোজা থাকা অবস্থায় কোনো কিছুর গন্ধ নাকে গ্রহণ করলে রোযার কোনো সমস্যা হবেনা।
রোযাদারের জন্য সুরমা লাগানো বা সুগন্ধি ব্যবহার করা মাকরূহ নয়।
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
আতা রাহ. বলেন, ‘রোযাদারের জন্য সুরমা ব্যবহার করাতে দোষ নেই।’-মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক ৪/২০৮; আলবাহরুর রায়েক ২/২৮০,
রমজান মাসে দিনের বেলা মশার কয়েল, ধূপ, আগরবাতি ইত্যাদি জ্বালানো জায়েয। এতে রোজার ক্ষতি হবে না। কারণ ধূপ, কয়েল, আগরবাতি ইত্যাদি জ্বালানোর পর আশপাশে সাধারণত এর ঘ্রাণই ছড়ায়। এর ধোঁয়া নাক পর্যন্ত পৌঁছে না। এরপরও অনিচ্ছাকৃত তা নাকে-মুখে চলে গেলে রোজা নষ্ট হবে না। তবে রোজা অবস্থায় কেউ যদি নাক বা মুখ দিয়ে এগুলোর ধোঁয়া টেনে নেয় সেক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। [রদ্দুল মুহতার ২/৩৯৫; আশশুরুনবুলালিয়া ১/২০২; মাজমাউল আনহুর ১/৩৬১; হাশিয়াতুত তহতাবী আলাদ্দুর ১/৪৫০
لو أدخل حلقہ الدخان أي بأي صورة کان الإدخال حتی لو تبخر بخورة وآواہ إلی نفسہ واشتمہ ذاکرًا لصومہ، أفطر لإمکان التحرز عنہ․ (رد المختار: ۳/۳۶۶، زکریا)
সারমর্মঃ
যদি ইচ্ছাপূর্বক রোযা স্বরন থাকা সত্ত্বেও এ ধোয়া নাক দিয়ে টেনে নেয়,তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে।
,
আরো জানুনঃ
,
রোজা রেখে রান্না করার সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে তরকারির ঘ্রাণ,রান্নার ধোঁয়া নাকে মুখে গেলে রোজা ভেঙে যাবেনা।
তবে রোজা অবস্থায় কেউ যদি নাক বা মুখ দিয়ে এগুলোর ধোঁয়া টেনে নেয় সেক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে।
ট্যাংকের শরবতের প্যাকেট খোলার সময় যে ঝাঁজ বের হয়, সেটি যদি নাকে/মুখে ঢুকে স্বাদ অনুভূত হয়,সেক্ষেত্রে রোযা ভেঙ্গে যাবে।