ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ইস্তেহাযা গ্রস্ত নারী বা মা'যুর ব্যক্তি প্রতি ওয়াক্তের জন্য একবার অজু করবে। ঐ অজু দ্বারা ঐ ওয়াক্তের ভিতর যত সম্ভব নামায পড়তে পারবে। কুরআন স্পর্শ করতে পারবে। অর্থাৎ ওয়াক্তের ভিতর ফরয সুন্নত নফল সকল প্রকার নামায পড়তে পারবে এবং কুরআন স্পর্শ করতে পারবে। নামাযের ফরয ওয়াক্ত যখন চলে যাবে, তখন অজু ভঙ্গের কোনো কারণ থাকলে বা পূর্ব সংগঠিত হয়ে থাকলে, তখন অজু চলে যাবে।
بدائع الصنائع: (27/1، ط: دار الکتب العلمیة)
(وأما) أصحاب الأعذار كالمستحاضة، وصاحب الجرح السائل، والمبطون ومن به سلس البول، ومن به رعاف دائم أو ريح، ونحو ذلك ممن لا يمضي عليه وقت صلاة إلا، ويوجد ما ابتلي به من الحدث فيه فخروج النجس من هؤلاء لا يكون حدثا في الحال ما دام وقت الصلاة قائما، حتى أن المستحاضة لو توضأت في أول الوقت فلها أن تصلي ما شاءت من الفرائض، والنوافل ما لم يخرج الوقت، وإن دام السيلان
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
কুরআন তিলাওয়াতের জন্য অজুর প্রয়োজনীয়তা নাই। হ্যা, কুরআন স্পর্শ করতে চাইলে অজু লাগে। মা'যুর ব্যক্তি এক অজু দিয়ে ওয়াক্তের ভিতর যত সম্ভব কুরআন স্পর্শ করতে পারবে। যখন ফরয ওয়াক্ত চলে যাবে, তখন ঐ অজু দ্বারা আর কুরআন স্পর্শ করতে পারবে না।