আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
96 views
in পবিত্রতা (Purity) by (5 points)

আসসালামু আলাইকুম মুহতারাম, 

আমি আগে এটা বলে রাখি আমার এই একই প্রশ্ন অনেকেই করেছেন কিন্তু তার যথাযথ উত্তর তারা কিংবা আমিও পাইনি

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বায়ু ত্যাগ জনিত সমস্যার অনেক প্রশ্ন উত্তর আমি পড়েছি যার সারমর্ম হলো মাযুর হলে এক ওযু দিয়ে একই ওয়াক্তের সব নামাজ পড়ে নেওয়া।

কিন্তু কোরআন তেলাওয়াত এর ক্ষেত্রে কি হবে? 

যদি মাযুর হই তাহলে কি এক ওযু দিয়ে একটানা যতক্ষণ সম্ভব তেলাওয়াত করব? নাকি অন্য কোনো বিষয়।

আমি কিন্তু নাজেরা তেলাওয়াত এর কথা বলছি।

জাযাকাল্লাহ খাইরান 

1 Answer

0 votes
by (807,660 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ইস্তেহাযা গ্রস্ত নারী বা মা'যুর ব্যক্তি প্রতি ওয়াক্তের জন্য একবার অজু করবে। ঐ অজু দ্বারা ঐ ওয়াক্তের ভিতর যত সম্ভব নামায পড়তে পারবে। কুরআন স্পর্শ করতে পারবে। অর্থাৎ ওয়াক্তের ভিতর ফরয সুন্নত নফল সকল প্রকার নামায পড়তে পারবে এবং কুরআন স্পর্শ করতে পারবে। নামাযের ফরয ওয়াক্ত যখন চলে যাবে, তখন অজু ভঙ্গের কোনো কারণ থাকলে বা পূর্ব সংগঠিত হয়ে থাকলে, তখন অজু চলে যাবে। 

بدائع الصنائع: (27/1، ط: دار الکتب العلمیة)
(وأما) أصحاب الأعذار كالمستحاضة، وصاحب الجرح السائل، والمبطون ومن به سلس البول، ومن به رعاف دائم أو ريح، ونحو ذلك ممن لا يمضي عليه وقت صلاة إلا، ويوجد ما ابتلي به من الحدث فيه فخروج النجس من هؤلاء لا يكون حدثا في الحال ما دام وقت الصلاة قائما، حتى أن المستحاضة لو توضأت في أول الوقت فلها أن تصلي ما شاءت من الفرائض، والنوافل ما لم يخرج الوقت، وإن دام السيلان

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1609

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/133523

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
কুরআন তিলাওয়াতের জন্য অজুর প্রয়োজনীয়তা নাই। হ্যা, কুরআন স্পর্শ করতে চাইলে অজু লাগে। মা'যুর ব্যক্তি এক অজু দিয়ে ওয়াক্তের ভিতর যত সম্ভব কুরআন স্পর্শ করতে পারবে। যখন ফরয ওয়াক্ত চলে যাবে, তখন ঐ অজু দ্বারা আর কুরআন স্পর্শ করতে পারবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...