আসসালামু আলাইকুম,
(আগেও এই প্রশ্ন করেছি আপনারা বলেছেন যদি কেউ ফরজ নামাজ ওজুসহ পড়তে না পারে তখন সে মাজুর,দেখি এখন কী মতামত দেন,এভাবে আমি অনেক বিপদের সম্মুখীন হয়েছি,হাত পায়ের চামড়া উঠে যায়)
আমার জ্বীনের সমস্যা আছে,প্রায় ২/৩ বছর যাবত,কম বা বেশি, আমি অজু করলে অজু ভেঙে যায়,আগে প্রায় প্রতি ওয়াক্তেই ভেঙে যেত,এখন গড়ে ১ ওয়াক্ত বলা যায়,মাঝে মাঝে ২ ওয়াক্ত,বাকি কোন কোন ওয়াক্ত চাপাচাপি করে নামাজ পড়ি,যেই ১/২ ওয়াক্তে ভেঙে যায় সেই ওয়াক্তে ৫ বার ও অজু করতে হয়,যেইবার ভাবি আর অজু করবো না,সেইবার অজু ভাঙ্গে না,আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহুম্মা বারিক,(গ্যাসের সমস্যা) আমি চেষ্টা করি অনেক যেন অজু না ভাঙ্গে,চেপে ধরে রাখার চেষ্টা করি,কিন্ত যখন এই সমস্যা হয় কাজে আসে না।আমি সেলফ রুকাইয়া করছি,আগে অবস্থা আরও করুণ ছিল। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহুম্মা বারিক।
আমার সর্বোচ্চ কয়বার অজু করা উচিত? আমি কাজকর্মে ধীরগতিসম্পন্ন,ফজরের সময় ৩০ মিনিট আগে উঠে বাথরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে এসে নামাজে দাঁড়ালে শুধু ফরজ আদায় এর সময় থাকে,আর তখনই অজু ভেঙে যায়,আমি অনেক চেষ্টা করি লাফালাফি করি,কিন্তু তারপরও অজু ভেঙে যায়,এই অবস্থায় আমার করণীয় কী? আমার পরিবারের লোক এর আগে এসব সমস্যার জন্য কবিরাজ ফকিরের কাছে জোরপূর্বক নিয়ে গেছে,এবং আমাকে মারধর করেছে,আমি এখন কোন সমস্যা হলে তাদের জানাই না,আর চেষ্টা করি তারা যেন বুঝতে না পারে,আমার হাত পায়ের চামড়া উঠে গেছে,আমি ওয়াশরুমে গেলেও আমার দেরি লাগে,কাপড় ধুতে দেরি লাগে।
আমি অজু ও তাড়াতাড়ি করতে পারি না,তাড়াতাড়ি করলেও ৪ মিনিট লেগে যায়,এসে জায়নামাজে বোরকা হিজাব পড়তে পড়তে মোট ৭/৮ মিনিট লেগে যায়,আমার এক ওয়াক্তে কয়বার অজু করা উচিত?