আসসালামু আলাইকুম উস্তাদ।
আমি একজন শিক্ষার্থী। বর্তমানে IOM এ পড়ালেখা করতেছি। পূর্বে আমি BSc in Nursing পড়েছি,কোর্স কমপ্লিট হয়নি, ইন্টার্নশিপ না করে আমি বাড়িতে চলে এসেছি। আমার পরিবার এটা কোনো ভাবেই এখনো মেনে নেননি। আমি অবিবাহিত। আমার বাবা বর্তমানে বার্ধক্য জনিত কারণে অসুস্থ। তিনি উপার্জন করতে সক্ষম নয়। আর আমরা ৫ বোন, কোনো ভাই নেই। ৪ জনের বিয়ে হয়ে গেছে, আমি সবার ছোট। বর্তমানে পরিবারের কোনো উপার্জন নেই। আমাদের কিছু টাকা ব্যাংক এ রাখা আছে এ টাকা থেকে মাসিক সুদ আসে, আর নিজেরা বাড়িতে কিছু সবজি চাষ করা হয় এগুলো দিয়ে সংসার চলে। আমার ১ জন দুলাভাই ব্যাংকার ও আরেকজন দুলাভাই এর উপার্জনে হারাম এর পরিমান বেশি। বোনদের বাড়ি থেকেও আংশিক সাপোর্ট করে। আর আমাদের একটা দোকান ভাড়া দেওয়া আছে ঐটা থেকে বছরে একবার ১২০০০০ টাকা এর মতো ভাড়া পায়। এই টাকাটা কুরবানি ও সারা বছরের চাল কিনে মুটামুটি অল্প দিনেই খরচ করে ফেলে।
এখন এমতাবস্থায় আমি এই হারাম খাবার না খেয়ে পারছিনা। আমি মাছ মাংস খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। কিন্তু এটা আমার পরিবার কোনো ভাবেই মেনে নিতে পারছে না। তারা আমাকে অনেক বকাবকি করে। বলে বাকি খাবার গুলোও তো হারাম ঐ গুলো কেন তাহলে খাচ্ছি। নিজে কেন তাহলে চাকরি করছি না। বাড়িতে আমাকে সবাই বয়কট করে দিয়েছে এমন একটা অবস্থা এখন, অনেক বকাবকি করে। আমার মা অনেক কান্নাকাটি করে, পড়ালেখা ছেড়ে দেওয়া,ঠিক মতো না খাওয়া, ননমাহরাম এর সামনে না যাওয়া, বেদ্বীন ছেলে বিয়েতে রাজী না হওয়া। মাকে কষ্ট দিতেছি আমি কোনো দিন জান্নাতে যাবো না, আমার ইবাদত কবুল হচ্ছে না এমন কথা বলে সবাই। আমার বোনদের বাড়িতে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি রিজিক হারাম বলে। এতে তারা আমাকে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী বলে। তাদের কোমলভাবে বুঝালেও তারা আমার কোনো কথাকে গুরুত্বই দেয় না।
এমন অবস্থায় আমি কি করতে পারি? আমি কি মাছ মাংস এবং খাবার খাওয়ার পরিমান বাড়াবো? আমি কোনো কিছুতেই শান্তি পাচ্ছি না উস্তাদ। এমন অবস্থায় আমি কি করতে পারি? আর আমি কোনো অবস্থায় বাহিরে গিয়ে চাকরি করতে চাচ্ছি না। গ্রাম তাই বাড়িতে বসে উপার্জনের সুযোগ নেই। আর বিয়ের কিছু আমল বলবেন মিন ফদলিক।