আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
87 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (20 points)
আমার জানাশুনায় ঘাটতি থাকতে পারে, এজন্য আফওয়ান। সাধারণত প্রভিডেন্ট ফান্ডের নোমিনি বা কে এটার হকদার এরকম কিছু  একটা সরকারি চাকরিজীবীদের করতে হয়, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে তারা স্ত্রীকে রাখে বা রাখতে হয়।
১)এখন স্ত্রী খাস পর্দার কারণে যদি ছবি দিতে না চান,তাহলে এতে স্বামী কি তাকে বাধ্য করতে পারে? যদি না মানে তাহলে এতে কি গুনাহ হবে?
২)এগুলো নিয়ে ফিতনা করতে চাইলে কি করা উচিত? ধরুন,  তুমি বেশি বাড়াবাড়ি করো বা অনেক পর্দানশিন বোন তো নিজেই সরকারি চাকরিজীবী, তারাও ছবি দিয়েছে, এগুলোর সময় জায়েজ, ইত্যাদি ইত্যাদি তাহলে কি করবে?

৩)স্বাভাবিকভাবে তাকওয়াবানরা গায়রত রাখেন, তাদের তাওয়াক্কুল বেশি। তো তারা যদি পর্দার দিকে খেয়াল রেখে এই ফান্ডের মোহতাজ হতে হবে না এমন চিন্তা রেখে ছবি না দেন তাহলে তারা কি ভুল করছে?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
চাকুরী পরবর্তি বোনাস সাধারণত দু ধরণের হয়ে থাকে।যথা-
(১)প্রভিডেন্ট ফান্ড
(২)পেনশন ফান্ড

প্রভিডেন্ট ফান্ডের বিস্তারিত বিধি-বিধান।
প্রভিডেন্ট ফান্ডের উৎস দু ধরণের হয়ে থাকে। যথা-
(ক)বাধ্যতামূলক ইনকাম ট্যাক্স
অর্থাৎ  ইনকাম ট্যাক্স কেটে রাখা যদি বাধ্যতামূলক সরকারী নীতিমার আওতাধীন হয়,যা পরবর্তীতে প্রভিডেন্ট ফান্ড রূপে উক্ত চাকুরজীবিকে দেয়া হবে।তাহলে উক্ত প্রভিডেন্ট ফান্ড সুদের অন্তর্ভূক্ত হবে না।কেননা বেতনের কর্তনকৃত ঐ অংশ  ইচ্ছা করলেও উক্ত চাকুরজীবি এখন উসূল করতে পারবে।আর কবজা বা হস্তগ্রত করার পূর্বে কেউ কোনো বেতন ভাতার মালিক হতে পারে না।যখন সে উক্ত টাকার মালিকই হয়নি,তখন সে কিভাবে এ টাকাকে সুদে লাগাবে।তাই কর্তনকৃত টাকার চেয়ে অতিরিক্ত টাকার প্রভিডেন্ট ফান্ডকে সুদ বলা যাবে না।বরং এক্ষেত্রে এটাই অনুমান করা হবে যে,বেতন-ভাতার অপরিশোধিত সেই টাকাগুলাই এখন তার হস্তগ্রত হচ্ছে। এখানে সবগুলাকেই তার বেতন রূপে গণ্য করা হবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/1246

সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
(১)  স্ত্রী যদি ছবি দিতে না চান,তাহলে স্বামীর উচিত নিজ সন্তানাদি বা মাতাপিতা কাউকে নমিনি করা। প্রয়োজনে স্ত্রী বুঝিয়ে শুনিয়ে নেয়া যেতে পারে। নমিনি হিসেবে ছবি প্রদাণ নাজায়েয হবে না যেহেতু জরুরত রয়েছে।

(২) এগুলো নিয়ে ফিতনা করার কোনো সুযোগ নেই। স্ত্রীর জন্য ছবি দেওয়ার রুখসত রয়েছে, স্ত্রীর উপর ওয়াজিব নয়। কাজেই বুঝানোর পরও স্ত্রী রাজী না হলে অন্য কাউকে নমিনি করে নিবেন।

(৩) যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করবে, আল্লাহ তার জন্য কঠিন থেকে কঠিনতম পথ সহজ করে দিবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...