আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
18 views
in সালাত(Prayer) by (29 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম,
আমার হায়েজ বেশ কয়েক বছর ধরেই ইররেগুলার হয়, আগে ২মাস পর পর হতো যার কারনে হায়েজ তা বুঝতে পারতাম। ডাক্তার দেখানোর পর ওষুধ দিয়েছে তা গ্রহণ করছি এই ডিসেম্বর মাসে তা কোনটা হায়েজ কোনটা ইস্তেয়াজা বুঝতে পারছি না।

যেমন: আমার ডেট মেইনটেইন হয় না বলে, ডিসেম্বর ৩তারিখ থেকে অল্প ব্লাড দেখে তা হায়েজ কাউন্ট করি কিন্তু অনেক অল্প ছিলো যে প্যাডই নেওয়া লাগেনি মেয়াদ 1 দিন ওটা ইস্তেয়াজা ছিলো। পরে সুস্থ হই সালাত পড়ি আবার ১৩ তারিখ থেকে পিড়িয়ডের রক্ত দেখি, সেম এতো কম ব্লাড যে প্যাড ব্যবহার করাই লাগেনি আর পেট ব্যাথাও ছিলো না।আগে দু মাস পরপর হলেও ৭দিন থাকত কিন্তু এবার ১৩তারিখথেকে ৭তম দিনের পরেও হালকা হলুদ স্রাব দেখা যায় যা টিস্যুতে নিলে বুঝা যাইতো স্পষ্ট তাই আমি ১০দিন পর্যন্ত হায়েজ ধরি। কিন্তু ১০ দিন অর্থাৎ ২৩ তারিখের পরেও সেম হালকা হলুদ বর্নের স্রাব যাচ্ছিলো তাই ১১তম দিন থেকে সালাত পড়ি।  এবং এই স্রাব অনবরত এই কালারই ছিলো প্রতিদিনই হতো, আজ ২রা জানুয়ারি ব্লাড দেখতে পাচ্ছি আর বেশি পরিমান যার জন্য প্যাড ব্যবহার করা লাগছে + পেট ব্যাথাও করছে তবে পনেরোদিন গড়ায় নাই( ১৩-২৩তারিখ যদি ধরি), যে আরেকটা হায়েজ কাউন্ট করব এটাকে।  নাকি আগের হায়েজকে ৭দিন কাউন্ট করে এবারেরটাও হায়েজ ধরব তাহলে ১৩ তারিখ -১৯ তারিখ হায়েজ আর এখন ২জানুয়ারি হলে ১৪ দিন পর দেখা গেছে।  আমি কিছুই বুঝছি না কি ধরব

এই ঝামেলার জন্য সালাত কিভাবে পড়ব কোন সময়ে পড়ব, কবুল হচ্ছে কি না তা নিয়ে দ্বিধায় আছি। কোনটা হায়েজ, কোনটা ইস্তেয়াজা ধরব এ নিয়ে ডেটসহকারে আমাকে বুঝালে মুনাসিব হতো আর সামনেও এই অবস্থা থাকবে কি না জানি না। আর এভাবে করলে তো অনেক নামাজ কাযা হতে থাকছে এগুলা পড়ে আদায় করাও কঠিন হয়ে যাবে এতোদিনে সালাত,আমি কি করব সালাত নিয়ে

1 Answer

0 votes
by (755,490 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হায়েযের সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬) তথা সাদা রং ব্যতীত সকলপ্রকার রং ই হায়েযের অন্তর্ভুক্ত।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-

ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে,
فَإِنْ لَمْ يُجَاوِزْ الْعَشَرَةَ فَالطُّهْرُ وَالدَّمُ كِلَاهُمَا حَيْضٌ سَوَاءٌ كَانَتْ مُبْتَدَأَةً أَوْ مُعْتَادَةً وَإِنْ جَاوَزَ الْعَشَرَةَ فَفِي الْمُبْتَدَأَةِ حَيْضُهَا عَشَرَةُ أَيَّامٍ وَفِي الْمُعْتَادَةِ مَعْرُوفَتُهَا فِي الْحَيْضِ حَيْضٌ وَالطُّهْرُ طُهْرٌ. هَكَذَا فِي السِّرَاجِ الْوَهَّاجِ. «الفتاوى الهندية» (1/ 37)
মাঝেমধ্যে হায়েয হওয়া আবার মাঝেমধ্যে বন্ধ হওয়া, দশ দিনের ভিতর সবকিছুই হায়েয হিসেবে গণ্য হবে।চায় এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন ঐ মহিলা প্রথমবার হোক বা এ ব্যাপারে অভ্যস্ত থাকুক। যদি রক্তস্রাব দশদিন অতিক্রম করে যায়, তাহলে প্রথমবার এ পরিস্থিতির সম্মুখিন মহিলার জন্য দশদিন হায়েয। আর কোনো এক সংখ্যায় আদত ওয়ালী মহিলার জন্য তার পূর্বের আদতই হায়েয় এবং বাদবাকী সময় তুহুর।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৭, কিতাবুল-ফাতাওয়া-২/১০৮, কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/১৭২) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বিষয়টা এমনিতেই জটিল। তাছাড়া আপনারা বর্ণনা থেকে বিষয়টা আরোও জটিল হয়ে গেছে। আপনার পূর্বের আদত যেহেতু ৭দিনের ছিল, এখন ১০ দিনের অতিরিক্ত রক্তস্রাব হওয়ার কারণে পূর্বের আদত অনুযায়ী ৭ দিন হায়েয। এবং অতিরিক্ত ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...