আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
19 views
ago in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (6 points)
edited ago by
Assalamualaikum wa rahmatullahi wa barakatuh ustaz...

1. Fazr namaz waqt sesh sahih kibhabe bujbo akash dekhe? Karon islamic app use kore dekhechi setah Puropuri sahih hoina sesh shomoi ar zawaal er shomoi ti....

2. Poshchim er dik ki thutu fela jabe?

3. Poshchim er dik ki pa kore rakha ba ghumano ba bosha jabe?

4. Shorir or Pa te haat rekhe quran er ayat pora jabe ki ruqyar jonno?

5. Hanafi majhab onujaye ekhon (jan,2026) asr azan and waqt hoche around 3.55pm er dik ...Ar shafi majhab maybe unader asr azan around 3.30pm te hoi amader city te.  ei situation te amar 3.40pm te bahire jawa emergency...Tai ami 3.35pm te asr namaz porle qabul hobe? Karon ami bahire gele asr namaz kaza hoyei jabe...ami hanafi ..

.aro ekta bishoi ami jodi 3.20pm te asr namaz pori karon amake 3.30pm te ber hoite hobe emergency...namaz ki hobe? Karon oi shomoi toh zuhr namaz waqt sesh hoini.. ki kora uchit?

6. Razab month te onekei mannat korar karone kunda naam er ekta khawar programme koren as if puri halwa.. eta ki thik? Eta keno hoi? Ar eta ki kichu Imam Ali (RA.) sathe related?  Na shob kichu bidat? Ar ami kibhabe sobaike thik ta janabo?

7. Private body parts clean koto din er modhe kora uchit? Ar time moto na korle ki gunnah hoi?

8. Ilm e Deen related quiz exam te keo cheating korle ki kora uchit? Ki punishment tader jonno? Ar ki bhabe tader bujhano uchit? Ar ki gunnah hobe tader? Ar tara tawba korle ki hobe?

Jazakumullahu khairan.....Assalamualaikum Wa Rahmatullah.....

1 Answer

0 votes
ago by (720,840 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

(০১)
এক্ষেত্রে আপনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রণীত আপনার জেলার নামাজ রোজার স্থায়ী ক্যালেন্ডার সংগ্রহ করবেন। সেখানেই এ বিষয়ে বিস্তারিত পাবেন।

(০২)
পশ্চিম দিকে তথা কেবলার দিকে থুতু ফেলা যাবেনা।

বুখারী শরীফের ৩৯৬ নং হাদীসে এসেছেঃ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى نُخَامَةً فِي الْقِبْلَةِ، فَشَقَّ ذَلِكَ عَلَيْهِ حَتَّى رُئِيَ فِي وَجْهِهِ، فَقَامَ فَحَكَّهُ بِيَدِهِ فَقَالَ " إِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا قَامَ فِي صَلاَتِهِ، فَإِنَّهُ يُنَاجِي رَبَّهُ ـ أَوْ إِنَّ رَبَّهُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ ـ فَلاَ يَبْزُقَنَّ أَحَدُكُمْ قِبَلَ قِبْلَتِهِ، وَلَكِنْ عَنْ يَسَارِهِ، أَوْ تَحْتَ قَدَمَيْهِ ". ثُمَّ أَخَذَ طَرَفَ رِدَائِهِ فَبَصَقَ فِيهِ، ثُمَّ رَدَّ بَعْضَهُ عَلَى بَعْضٍ، فَقَالَ " أَوْ يَفْعَلْ هَكَذَا ".

কুতায়বা (রহঃ) .... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিবলার দিকে (দেয়ালে) ‘কফ’ দেখলেন। এটা তাঁর কাছে কষ্টদায়ক মনে হল। এমনকি তাঁর চেহারায় তা ফুটে উঠলো। তিনি উঠে দিয়ে তা হাত দিয়ে পরিষ্কার করলেন। তারপর তিনি বললেনঃ তোমাদের কেউ যখন সালাতে দাঁড়ায় তখন সে তাঁর রবের সাথে একান্তে কথা বলে। অথবা বলেছেন, তাঁর ও কিবলার মাঝখানে তাঁর রব আছেন। কাজেই, তোমাদের কেউ যখন কিবলার দিকে থুথু না ফেলে। বরং সে যেন তাঁর বাম দিকে বা পায়ের নীচে তা ফেলে। তারপর চাঁদরের আঁচল দিয়ে তিনি তাতে থুথু ফেললেন এবং তাঁর এক অংশকে অন্য অংশের উপর ভাঁজ করলেন এবং বললেনঃ অথবা সে এরূপ করবে।

সহীহ : বুখারী ৪০৫, 
[বুখারি ৪০৫, ২৪১, ৪১২, ৪১৩, ৪১৭, ৫৩১, ৫৩২, ৮২২, ১২১৪, মুসলিম ৪৯৩, নাসায়ি ৩০৮, ৭২৮, আবু দাউদ ৪৬০, ইবন মাজাহ ৭৬২, ২০২৪, আহমদ ১১৬৫১, ১২৩৯৮, ১২৫৪৭, ১২৫৭৯, ১২৬৫৩, ১২৮০৪, ১৩৪২৪, ১৩৪৭৭, ১৩৫৩৬, ১৩৬৮৫, দারেমি ৪১৩৯৬
সহীহ আল জামি‘ ১৫৩৭, সহীহ ইবনু হিব্বান ২২৬৭।]

صحيحي ابن خزيمة و ابن حبان من حديث حذيفة مرفوعًا 
من تفل تجاه القبلة جاء يوم القيامة وتفله بين عينيه". 

ইবনু খুযায়মাহ্ ও ইবনু হিব্বান (রহঃ) মারফূ‘ সূত্রে বর্ণনা রয়েছে। 
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ক্বিবলার দিকে থুথু ফেলল, সে ক্বিয়ামাতের (কিয়ামতের) দিন তার দু' চোখের মাঝে ঐ থুথু নিয়ে উপস্থিত হবে।

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,   
পশ্চিম দিকে থুথু ফেলা যদি অনিচ্ছাকৃত ভাবে হয় তাহলে তাতে গুনাহ হবেনা।ইচ্ছাকৃতভাবে হলে গুনাহ হবে। 

আরো জানুনঃ 

(০৩)
এ সংক্রান্ত জানুনঃ- 
https://www.ifatwa.info/133965/

(০৪)
এমনটি করা যাবে। তবে পায়ের উপর কোরআন শরীফ রাখা যাবে না।

(০৫)

https://ifatwa.info/3915/ নং ফাতওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,

যেহেতু এ বিষয়ে আমাদের ইমামদের মাঝেই মতভেদ হয়ে গেছে। তাই ফক্বীহগণ বলেনউত্তম ও সতর্কতা এটাই যেবস্তুর ছায়া দ্বিগুণ হওয়ার আগে আসরের নামায পড়বে না। তবে যদি কেউ পড়ে নেয়তাহলে মতভেদ থাকার কারণে নামাযকে বাতিল বলা যাবে না। বরং সহীহ হয়ে গেছে বলেই ধতব্য হবে।

তাই ফিতনার আশংকা না হলে আলাদা পড়া উত্তম। তবে ফিতনার শংকা হলে এক সাথে পড়া যাবে।

,

হাদীস শরীফে এসেছে  

قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: أَنَا أُخْبِرُكَ، صَلِّ الظُّهْرَ، إِذَا كَانَ ظِلُّكَ مِثْلَكَ.وَالْعَصْرَ، إِذَا كَانَ ظِلُّكَ مِثْلَيْكَ.

হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ বলেনআমি তোমাদের জানাচ্ছি যেযখন তোমার ছায়া তোমার সমান হয়তখন যোহরের নামায পড়আর যখন তা দ্বিগুণ হয়তখন আসরের নামায পড়। {মুয়াত্তা মালিকহাদীস নং-১২মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাকহাদীস নং-২০৪১কানযুল উম্মালহাদীস নং-২১৭৩৪}

,

قال المشائخ: ينبغى أن لا يصلى العصر حتى يبلغ المثلين، ولا يؤخر الظهر إلى أن يبلغ المثل ليخرج من الخلاف فيها، (الحلبى الكبير، كتاب الصلاة، بحث فروع فى شرح الطحاوى-227، رد المحتار، كتاب الصلاة-1/359، البحر الرائق، كتاب الصلاة-1/425-426، حاشية الطحطاوى على الدر المختار، كتاب الصلاة-1/173)

যার সারমর্ম হলো ২ মিছিল হওয়ার পর আছরের নামাজ পড়বেএক মিছিল পর্যন্ত জোহরের নামাজ দেরি করবেনা

যাতে ইমামদের ইখতিলাফ থেকে বাঁচা যায়।

,

বিস্তারিত  জানুন

https://www.ifatwa.info/705

,

 সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!

আসরের নামাজের ওয়াক্ত নিয়ে হানাফি মাযহাবের স্কলারদের মাঝেই মতবিরোধ রয়েছে। সুতরাং আপনি যদি উপরোক্ত নিয়মে আসরের নামাজ আদায় করেনসেক্ষেত্রেও আপনার নামাজ আদায় হয়ে যাবে।

 

বিস্তারিত জানুনঃ-

https://ifatwa.info/79123/

https://ifatwa.info/3915/


এমতাবস্থায় ৩ টা ২০ মিনিটে যেহেতু শাফেয়ী মাজহাব অনুযায়ী ও আসর নামাজের ওয়াক্ত আসেনি, তাই সেই সময়ে আসর নামাজ আদায় করলে আসরের নামাজ আদায় হবে না।

(০৬)
উপরে উল্লেখিত কোন কিছুই জায়েজ নেই।

(০৭)
وفى الدر المختار- والأفضل يوم الجمعة وجاز في كل خمسة عشرة وكره تركه وراء الأربعين (رد المحتار على الدر المختار، كتاب الحظر والإباحة، فصل فى البيع-9/582-583

উত্তম হলো প্রতি জুমআয় পরিস্কার করা,প্রত্যেক পনের দিন পর পরেও পরিস্কার করা জায়েজ আছে,তবে চল্লিশ দিন অতিক্রম করলে মাকরুহ হবে। 

বিস্তারিত জানুনঃ- 

(০৮)
এক্ষেত্রে তারা যদি অন্যায় করে, নিয়ম ভঙ্গ করে, তাহলে তো তাদের গুনাহ হবে এবং যারা সেই কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল তাদের হক নষ্টের গুনাহ হবে।

শুধু তওবা-ই যথেষ্ট হবে না। বরং তারা যাদের হক নষ্ট করেছে, তাদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে অথবা তাদের হক ফিরিয়ে দিতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 543 views
...