আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
77 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (1 point)
সম্মানিত মুফতি সাহেব,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে প্রায় ১০ বছর আগে একটি সমিতি গঠন করি। প্রত্যেক সদস্য মাসে ৫০০ টাকা করে জমা দেন। এই তহবিল থেকে সমিতির সদস্যদের কর্জে হাসানা প্রদান করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না করলে প্রতি এক লাখ টাকায় মাসিক ৩,০০০ টাকা (৩%) হারে জরিমানা আরোপ করা হয়।

এই সমিতি থেকে কোনো সদস্য লভ্যাংশ গ্রহণ করেন না; আমরা এটিকে সদকার নিয়তে পরিচালনা করি।

প্রশ্ন:
জরিমানা বাবদ যে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়, তা কি শরিয়তের দৃষ্টিতে সুদের অন্তর্ভুক্ত হবে?
যদি হয়, তার শরিয়তসম্মত কারণ কী?
আর যদি সুদ না হয়, তাহলে এই অর্থ সমিতির বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খরচে ব্যয় করা কি বৈধ হবে?

দয়া করে শরিয়তসম্মত সমাধান জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

1 Answer

0 votes
by (812,460 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
রিবা বা সূদ কাকে বলে?
বর্ণিত রয়েছে  এ ব্যপারে উলামায়ে কেরামগণ একমত যে, প্রত্যেক ঐ ঋণ যা মুনাফাকে টেনে নিয়ে আসবে তাই রিবা বা সুদ হিসেবে পরিগণিত হবে।যেমন,
ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ ﻗَﺎﻝَ : ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺣَﻔْﺺٌ، ﻋَﻦْ ﺃَﺷْﻌَﺚَ، ﻋَﻦِ ﺍﻟْﺤَﻜَﻢِ، ﻋَﻦْ ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢَ، ﻗَﺎﻝَ : « ﻛُﻞُّ ﻗَﺮْﺽٍ ﺟَﺮَّ ﻣَﻨْﻔَﻌَﺔً، ﻓَﻬُﻮَ ﺭِﺑًﺎ » ﻣﺼﻨﻒ ﺍﺑﻦ ﺃﺑﻲ ﺷﻴﺒﺔ 
তরজমাঃ-প্রত্যেক ঐ ঋণ যা মুনাফাকে টেনে নিয়ে আসবে তাই রিবা বা সুদ। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বাহ-২০৬৯০)

মুনাফার শর্তে ঋণ দিলে তা রিবার অন্তর্ভুক্ত।তবে শর্ত ব্যতীত যদি ঋণদার ঋণ পরিশোধের সময় কিছুটা বেশী দিয়ে দিলে তা রিবার অন্তর্ভুক্ত হবে না।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1256

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
৯০ দিনের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না করলে প্রতি এক লাখে মাসিক ৩,০০০ টাকা (৩%) হারে জরিমানা আরোপ করা সুদের অন্তর্ভুক্ত। এই প্রকারের ঋণ প্রদান পূর্বক সুদ গ্রহণ কখনই জায়েয হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...