আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
91 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (5 points)
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।


১)"নফলের মাধ্যমে আল্লাহ ফরজের ঘাটতি পূরণ করবেন" এটা কি সঠিক হুজুর?


২) অনেক মাস/বছরের কাযা নামাজ থাকলে সেগুলো আদায় করতে হবে এটা নিয়ে কি সব আলেমরা একমত?


৩)রিজিক বৃদ্ধির জন্য সূরা ওয়াকিয়া এশার নামাজের পর বা রাতে ঘুমানোর আগে পড়লে হবে?নাকি সবসময় মাগরিবের পরেই পড়তে হবে?


৪)নামাজের ভিতর নড়াচড়া করা যাবেনা।এক রুকন সমপরিমাণ এমনটি করলে নামাজ ভেঙ্গে যাবে। এখানে "এক রুকন সমপরিমাণ" মানে কি হুজুর?


৫) জীবনসঙ্গী এবং শ্বশুরবাড়ির মানুষ নিয়ে অনেক বোনেরাই বিস্তারিত দুআ করেন।এভাবে বিস্তারিত দুআ করা জায়েজ আছে?

৬)দুনিয়াতে ধরুন রাস্তায় একটা বিড়াল অথবা কোনো মুরগী দেখলাম। আল্লাহ তায়ালাকে যদি বলি "জান্নাতে আমাকে ঐ বিড়াল অথবা মুরগীটাকে দিয়েন " তাহলে কি আল্লাহ তায়ালা আমার দোয়া কবুল করে জান্নাতে আমাকে দিবেন আমার ঐ পছন্দের প্রাণীকে?


৭)বিতর নামাজের তৃতীয় রাকাতে আমি প্রথমে সূরা ফাতিহা পড়ি তারপর সূরা ইখলাস পড়ি। তারপর হাত ছেড়ে দেই। তারপর আবার হাত উঁচু করে আল্লাহু আকবার বলে হাত বেঁধে শুধু "আল্লাহুম্মাগফিরলানা" এইটুকু তিনবার পড়ি।এটা কি ঠিক আছে?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
১)"নফলের মাধ্যমে আল্লাহ ফরজের ঘাটতি পূরণ কর হয" এটাটি সঠিক।
২) অনেক মাস/বছরের কাযা নামাজ থাকলে সেগুলো আদায় করতে হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/968
৩)রিজিক বৃদ্ধির জন্য সূরা ওয়াকিয়া এশার নামাজের পর বা রাতে ঘুমানোর আগে পড়লে হবে।  মাগরিবের পর পড়া জরুরী নয়।
৪)"এক রুকন সমপরিমাণ" বলতে তিনবার "সুবহানা রাব্বিয়াল আজীম" বলার সমপরিমাণ সময়। 
৫) জীবনসঙ্গী এবং শ্বশুরবাড়ির মানুষ নিয়ে বিস্তারিত দুআ করা যাবে।
৬)জান্নাতে সেই প্রাণী চাইবেন কি না? সেটাও নিশ্চিত নয়। তবে চাইলে অবশ্যই পাবেন।
৭) বিতির নামায পড়ার বর্ণিত পদ্ধতিটি ঠিকাছে। তবে দুআয়ে কুনুত শিখে নিতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...