ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
১)"নফলের মাধ্যমে আল্লাহ ফরজের ঘাটতি পূরণ কর হয" এটাটি সঠিক।
৩)রিজিক বৃদ্ধির জন্য সূরা ওয়াকিয়া এশার নামাজের পর বা রাতে ঘুমানোর আগে পড়লে হবে। মাগরিবের পর পড়া জরুরী নয়।
৪)"এক রুকন সমপরিমাণ" বলতে তিনবার "সুবহানা রাব্বিয়াল আজীম" বলার সমপরিমাণ সময়।
৫) জীবনসঙ্গী এবং শ্বশুরবাড়ির মানুষ নিয়ে বিস্তারিত দুআ করা যাবে।
৬)জান্নাতে সেই প্রাণী চাইবেন কি না? সেটাও নিশ্চিত নয়। তবে চাইলে অবশ্যই পাবেন।
৭) বিতির নামায পড়ার বর্ণিত পদ্ধতিটি ঠিকাছে। তবে দুআয়ে কুনুত শিখে নিতে হবে।