আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
55 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (18 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

গত ৩০ ডিসেম্বর আমার হায়েজ শুরু হয় এবং আনুমানিক ৫ জানুয়ারি পবিত্র হই। এরপর ১৫ জানুয়ারি থেকে মাঝে মাঝে কালচে/বাদামি স্রাব দেখা যায়, যা হায়েজের শুরু বা শেষের সময় যেমন হয় ঠিক তেমন। যেহেতু হায়েজ শেষ হওয়ার পর ১৫ দিন পূর্ণ হয়নি, তাই আমি এটিকে হায়েজ মনে না করে নামাজ পড়া শুরু করি।
কিন্তু ২০ জানুয়ারি দুপুর থেকে থেমে থেমে কিছুটা রক্ত দেখা যাচ্ছে, যার রং আগের কালচে ভাবসহ কিছুটা লাল;হায়েজের রক্তের কাছাকাছি।
এখন প্রশ্ন হলো:
১) ১৫ থেকে ১৯ জানুয়ারির কালচে/বাদামি স্রাব কি হায়েজ হিসেবে গণ্য হবে, নাকি ইস্তিহাযা?
২) ২০ জানুয়ারি থেকে যে কালচে-লাল রক্ত দেখা যাচ্ছে, সেটি কি নতুন হায়েজ হিসেবে ধরা হবে?

এই অবস্থায় আমার নামাজ ও অন্যান্য ইবাদতের হুকুম কী?

1 Answer

0 votes
by (807,660 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
দুই হায়েযের মাঝখানে পাক থাকার মুদ্দৎ কমের পক্ষে পনের দিন, আর বেশীর কোন সীমা নাই। অতএব, যদি কোন মেয়েলোকের কোন কারণবশতঃ কয়েক মাস যাবৎ হায়েয বন্ধ থাকে, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ঋতুস্রাব না হইবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে পাক থাকিবে। 

(১৩) মাসআলাঃ 
যদি কোন মেয়েলোকের তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখা যায়, তারপর ১৫ দিন পাক থাকে; আবার তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখে, তবে আগেকার তিন দিন তিন রাত এবং পনের দিনের পর তিন দিন তিন রাত হায়েয ধরিবে। আর মধ্যকার দিন পাক থাকার সময়।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) ১৫ থেকে ১৯ জানুয়ারির কালচে/বাদামি স্রাবকে ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য করা হবে।  
(২) ২০ জানুয়ারি থেকে যে কালচে-লাল রক্ত দেখা যাচ্ছে, সেটি যদি তিন দিন তিন রাত স্থায়ী হয়, তাহলে সেটাকে হায়েয গণনা করা হবে নতুবা ইস্তেহাযা। ইস্তেহাযার সময় নামায রোযা করতে হয়।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 127 views
...