আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মেহেরবানী করে বিস্তারিত প্রশ্ন পড়ে উত্তর করবেন উস্তাজ।
২০০৭ সালে আমার বিয়ে হয় গাজীপুর এ, আমার স্বামীর ছোট ২ বোন আছে, বিয়ের পরেই বুঝতে পারছি যে এরা কেউ আমাকে পছন্দ করেন না।প্রচুর অশান্তি শুরু হয়, আমাদের দুজনের মধ্যে কোন সমস্যা ছিল না, সবই তারা তৈরি করত।তারপর থেকে হঠাত আমার স্বামীর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায় এবং একটা পর একটা সব কাজ বন্ধ হয়ে যায়। আমি মেয়ে হওয়ার আগে সর্ব প্রথম একটা কাগজ পাই বালিশের ভিতর, পরে জানতে পারি বিচ্ছেদের জন্য্য করা।আমার শ্বাশুড়ী কবিরাজ এর কাছে যেত এবং ওনার ভাই পাশেই থাকে উনিও কবিরাজ।
এরপর মেয়ে হওয়ার পর আমরা আলাদা হয়ে যাই নিচ তলায়।ওরাই করে দেয়।কিছুদিন পরে আবার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়।
ছেলে হওয়ার আগে ২০১২ সাল থেকে সে বেকার, আপু ডাবল মাস্টার্স কমপ্লিট একটা ছেলে কম্পিউটার সহ সব জানার পরও একটা চাকরি হল না বছরের পর বছর।একটা ফার্ম দিয়েছিল আবার ২০২১ সালে। ৮ লক্ষ টাকা দিয়ে সেটাও লস আবার একটা অনলাইন ব্যবসায় এখন ৪ লক্ষ টাকা এখন ঋণ আছে কি পেরেশানি তে আছি আল্লাহই ভালো জানে।আমার শ্বশুর শ্বাশুড়ি র সাথেই এখনো আছি, এর মাঝে অনেক তাবিজ বাসায় পেয়েছি।ওনারা এখন বৃদ্ধ, ৫ ওয়াক্ত সালাত, কোরআন পরেও নাটক সিনেমা ছাড়ে না ব্যবহারও ভালো না। অল্প কিছু টাকা বাসা ভাড়া থেকে দেয় সংসার খরচের জন্য।
আমার স্বামী কে বহুবার বলেছি অন্যকোথাও চলে যাই কিন্তু ঋণের জন্য আর নিজের কোন কাজ নেই তাই যেতে সাহস পায় না।আমি এখন কী করব?অনলাইনে কত কিছু করার চেষ্টা করলাম কিছুই হলনা,ছেলেটা হিফয পরছে আলহামদুলিল্লাহ, মেয়েকে আপনাদের এখানে দিয়েছি, মেয়েটা খুব কষ্ট পাচ্ছে।সেলফ রুকইয়া করেছি, আগে তো জানতাম না বোঝার পর থেকে মাসনুন আমল করি আলহামদুলিল্লাহ ওদেরকে নিয়ে।
কিন্তু আমার এখন মনে হয় এই বাড়ি থেকে না বের হলে কিছুই ঠিক হবে না।মেয়েটার বয়স ১৬ বছর।চাইলেও কোথাও যেতে ভয় হয়।গ্রামে নিজেদের জমি আছে কিন্তু বাড়ি তো নেই,শহরের এই বাড়ি তো ওনাদের নামে,মেয়েরা এই বাড়ির ফ্ল্যাট তাদের নামে লিখে নেওয়ার জন্য বসে আছে। ইসলামি শরীয়াহ অনুযায়ী এখন আমার করনীয় কী?