আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
83 views
in সালাত(Prayer) by (6 points)
আসসালামু আলাইকুম। আমার ২টি প্রশ্ন আছে।
১/রিয়াজুল জান্নাতে নুসুক এ্যাপস ব্যতীত শুধু সালাম দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রবেশের পর অনেক মহিলাকে দেখা যায় তাড়াহুড়ো করে দুই রাকআত স্বলাত আদায় করেন।এভাবে স্বলাত পড়া কী জায়েজ হবে?যেহেতু তখন নামাজ পড়ার অনুমতি নেই,এমতাবস্থায় নামাজ পড়লে কী গুনাহ হবে?

২/আমাকে আল্লাহ  ২৯,৩০ পারা হিফয করিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। ২৮ পারা চলমান,পূর্বে এই পারাটা একবার হিফযের উদ্দেশ্যে পড়েছিলাম তবে ভালোভাবে করতে পারিনি। এখনো খুব কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। কারণ সংসার,আইওএমের আলেমা কোর্সের পড়া, শারীরিক অসুস্থতা,মনে রাখতে না পারা সব মিলিয়ে হিফয কন্টিনিউ করা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে এবং অনিয়মিত হয়ে যাচ্ছে। এখন আমি হিফয করা বন্ধ করলে কী গুনাহ হবে? পূর্বে যে ২৮ পারা প্রায়ই বেশ অংশ হিফয করেছিলাম তা কী হিফয কমপ্লিট করতে হবে?ঐ পড়াটা তেমন পোক্ত ছিলনা।২৯ ও ৩০ পারা নিয়ে কোন সমস্যা নেই আলহামদুলিল্লাহ।  এখন আমার প্রশ্ন হলো ২৮ পারা নতুন করে যতটুকু হিফয করেছি তা আলহামদুলিল্লাহ ভালো ভাবে পারি,এই নতুন অংশ এবং ২৯ ও ৩০ পারা সবসময় চর্চা করলে কী হবে?

1 Answer

0 votes
by (812,700 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
যেহেতু নুসুক এ্যাপস ব্যতীত রিয়াজুল জান্নাহ এ সরকারি নিয়মানুসারে প্রবেশ নিষেধ, তাই সরকারি নিয়ম পালন পূর্বক প্রবেশ না করাই উচিত। তবে কেউ প্রবেশ করে নামায পড়ে নিলে কোনো গোনাহ হবে না। 

(২)
عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ” عرضت على اجور امتي حتى القذاة يخرجها الرجل من المسجد وعرضت على ذنوب امتي فلم ار ذنبا اعظم من سورة من القران او اية اوتيها رجل ثم نسيها ”

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের সাওয়াবসমূহ (কাজের বিনিময়গুলো) আমার সামনে পেশ করা হয়েছে, এমনকি কোন ব্যক্তি কর্তৃক মাসজিদ থেকে ময়লা-আবর্জনা দূর করার সাওয়াবও। অপরদিকে আমার উম্মাতের পাপরাশিও আমাকে দেখানো হয়েছে। আমি তাতে কুরআনের কোন সূরাহ বা আয়াত শেখার পর তা ভুলে যাওয়ার চাইতে বড় গুনাহ আর দেখিনি। [সূনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং-৪৬১]

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
কুরআন মুখস্থ করার পর অযত্নে অবহেলায় ভুলে যাওয়া উচিত নয়। সুতরাং আপনি ৩০,২৯ তো সব সময়ই পড়বেন। এবং ২৮ পারার যতটুকু মুখস্থ করেছিলেন, ততটুকু মুখস্থ রাখার চেষ্টা করবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 176 views
...