ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
যেহেতু নুসুক এ্যাপস ব্যতীত রিয়াজুল জান্নাহ এ সরকারি নিয়মানুসারে প্রবেশ নিষেধ, তাই সরকারি নিয়ম পালন পূর্বক প্রবেশ না করাই উচিত। তবে কেউ প্রবেশ করে নামায পড়ে নিলে কোনো গোনাহ হবে না।
(২)
عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ” عرضت على اجور امتي حتى القذاة يخرجها الرجل من المسجد وعرضت على ذنوب امتي فلم ار ذنبا اعظم من سورة من القران او اية اوتيها رجل ثم نسيها ”
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের সাওয়াবসমূহ (কাজের বিনিময়গুলো) আমার সামনে পেশ করা হয়েছে, এমনকি কোন ব্যক্তি কর্তৃক মাসজিদ থেকে ময়লা-আবর্জনা দূর করার সাওয়াবও। অপরদিকে আমার উম্মাতের পাপরাশিও আমাকে দেখানো হয়েছে। আমি তাতে কুরআনের কোন সূরাহ বা আয়াত শেখার পর তা ভুলে যাওয়ার চাইতে বড় গুনাহ আর দেখিনি। [সূনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং-৪৬১]
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
কুরআন মুখস্থ করার পর অযত্নে অবহেলায় ভুলে যাওয়া উচিত নয়। সুতরাং আপনি ৩০,২৯ তো সব সময়ই পড়বেন। এবং ২৮ পারার যতটুকু মুখস্থ করেছিলেন, ততটুকু মুখস্থ রাখার চেষ্টা করবেন।