আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
87 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (8 points)
আসসালামু আলাইকুম।

আমার ডিসেম্বরের ৩০তারিখে পিরিয়ড শুরু হয়। ১দিন পর ব্লিডিং কমে আসে। এরপর ৫-৬দিন ব্লিডিং অফ থাকে। তারপর আবার মাঝেমধ্যেই দিনের কিছু টাইম অল্প অল ব্লাড যেতো দেখতাম। আবার থাকতোনা দুইদিন। আবার দুইদন অল্প যেতো। এরকম জানিয়ারি মাসের এই ২৬তারিখ পর্যন্ত গেলো।

আমি এটাকে ইস্তিহাজা ধরে নামাজ পড়তাম। আমার এই সময় টায় কোনো ব্যাথা ছিলোনা। ব্লাড খুব সামান্য একেবারে পানি পানি ছিলো। ঘন গাড় এরকম না।একটা প্যাড দুইদিন ইউজ করা যেতো এমন ছিলো।

কিন্তু ২৭তারিখ থেকে আমার মাসিকের সময়ের মতো কোমড় ব্যাথা শুরু। ব্লাড মাসিকের মতো ঘন, কালো চাকা চাকাও যায়। ২৪ঘণ্টায় তিনটা প্যাশ ইউজ করতে হয়।

এখনা আমার প্রশ্ন, আমি ২৭তারিখ থেকে এই ব্লিডিং কে মাসিক ধরবো নাকি ইস্তিহাজা ই?আমি ২৭তারিঝ নামাজ পড়েছিলাম কনফিউশান নিয়ে, ইস্তেহাজা নাকি মাসিক কিছুই বুঝতেছিলাম না।

ডিসেম্বরের ৩০তারিখ যেহেতু মাসিক হলো, এই মাসেও ৩০তারিখ থেকে মাসিক কাউন্ট করবো?নাকি ২৭তারিখের থেকে?

আমাকে একটু দ্রুত সাহায্য করবেন উত্তর দিয়ে।

যদি এটা মাসিক হয়, তাহলে আমার নামাজ পড়ে ফেলার জন্য গুণাহ হবে?

নোট: ৮সপ্তাহের ভ্রুণ গর্ভে মারা যাওয়ায়, গর্ভ পরিষ্কার করতে ডিসেম্বরের ৩০তারিখ আমার ব্লিডিং শুরু হয় ওষুধের মাধ্যমে৷

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হায়েযের সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬) তথা সাদা রং ব্যতীত সকলপ্রকার রং ই হায়েযের অন্তর্ভুক্ত।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/78

ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে,
فَإِنْ لَمْ يُجَاوِزْ الْعَشَرَةَ فَالطُّهْرُ وَالدَّمُ كِلَاهُمَا حَيْضٌ سَوَاءٌ كَانَتْ مُبْتَدَأَةً أَوْ مُعْتَادَةً وَإِنْ جَاوَزَ الْعَشَرَةَ فَفِي الْمُبْتَدَأَةِ حَيْضُهَا عَشَرَةُ أَيَّامٍ وَفِي الْمُعْتَادَةِ مَعْرُوفَتُهَا فِي الْحَيْضِ حَيْضٌ وَالطُّهْرُ طُهْرٌ. هَكَذَا فِي السِّرَاجِ الْوَهَّاجِ. «الفتاوى الهندية» (1/ 37)
মাঝেমধ্যে হায়েয হওয়া আবার মাঝেমধ্যে বন্ধ হওয়া, দশ দিনের ভিতর সবকিছুই হায়েয হিসেবে গণ্য হবে।চায় এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন ঐ মহিলা প্রথমবার হোক বা এ ব্যাপারে অভ্যস্ত থাকুক। যদি রক্তস্রাব দশদিন অতিক্রম করে যায়, তাহলে প্রথমবার এ পরিস্থিতির সম্মুখিন মহিলার জন্য দশদিন হায়েয। আর কোনো এক সংখ্যায় আদত ওয়ালী মহিলার জন্য তার পূর্বের আদতই হায়েয় এবং বাদবাকী সময় তুহুর।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৭, কিতাবুল-ফাতাওয়া-২/১০৮, কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/১৭২) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার প্রশ্নটি অস্পষ্ট। একাধিকবার পড়েও আমরা পরিপূর্ণ মর্মার্থ অনুধাবন করতে সক্ষম হইনি। যতটুকু বুঝতে সক্ষম হয়েছি, সেই আলোকে বলছি।

যদি পূর্বের হায়েযের ১৫ দিন পর রক্তস্রাব শুরু হয়, তাহলে যখনই শুরু হবে তখন থেকে তিনদিন তিনরাত অতিবাহিত হলেই তা হায়েয হিসেবে বিবেচিত হবে। আর যদি ১৫ দিন পূর্বে শুরু হয় তাহলে ইস্তেহাযা। যদি সম্পূর্ণ মাস জুরেই রক্তস্রাব হয়, তাহলে ১৫ দিন পর পর পূর্বের আদত যত দিনের ততদিন হায়েয। আর বালিগ হওযার পর থেকেই তথা প্রথম থেকেই সারা মাস জুরে রক্তস্রাব হলে প্রতি মাসে ১০ দিন হায়েয এবং অতিরিক্ত ইস্তেহাযা গণনা করা হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 218 views
...