আসসালামু আলাইকুম।
এই শীতকালে শৈত্যপ্রবাহের দিনগুলিতে একদিন /দুইদিন পরপর আমার হাজব্যান্ড শারীরিক সম্পর্ক করতে চায়,যেহেতু আমার ঠান্ডা লাগার সমস্যা আছে,শরীরে শীত বেশি,তাই আমি এই ব্যাপারে ইচ্ছা করিনা।তবুও একদিন আমার অনিচ্ছা সত্ত্বেও গোসল ফরজ হয় আর আমার অনেক বেশি ঠান্ডা লাগে,আর খুবই রাগ উঠে হাজব্যান্ড এর উপর,তারপর রাগ দেখিয়ে বলি যে এখন থেকে ডেইলি সম্পর্ক করতে হবে, আমি নিজের ক্ষতির দিকে তাকাবোনা..ইত্যাদি ইত্যাদি।তো রাগ এমন চরমে উঠে যে আল্লাহর কসম দিয়ে বলি,কাল থেকে যদি প্রতিদিন না করো তো দেখিও আমি কি করি!!আমি কি করবো তা আমি না জেনে,না ভেবেই এরকম বলে ফেলি।
আসলে আমি জানি কোনদিনও ডেইলি শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব না আমাদের পক্ষে,তবুও রাগের বশে এরকম বলে ফেলি।এরপর এই শপথ তো আর রাখা সম্ভব ও হয়নি।
১.আমার কি এখন কাফফারা দিতে হবে?
এটা কি অনর্থক শপথ নয়??
২.আই ফতোয়াতে করা প্রশ্নগুলো চাইলে ডিলিট করতে পারবো কিনা ?
৩.আমার শরীর খুব দূর্বল,খাবারে রুচি নেই,এক বেলা না খেলে মাথা ঘুরতে থাকে,প্রেশার লো হয়ে যায়।তাই রমজান মাসে যদি রুচির ওসুধ খাই,আর আমার খাবার খাওয়া বেশি হয়,ফলে রোজা রাখতে কষ্ট কম হয়,তাহলে কি গুনাহ হবে?
৪.আমার বিয়ের ৫বছর,প্রায়ই ঝগড়াঝাটির সময় হাজব্যান্ড বলতো তুমি তোমাদের বাড়িতে চলে যাও,তোমার সাথে সংসার করা সম্ভব না,তোমার সাথে সংসার করতে চাইনা...
তো আগে জানতাম না এসব কথার কারনে কেনায়া তালাক হয়,কিন্তু এখন জানার পর হাজব্যান্ড কে জিজ্ঞেস করলাম এসব কথা দ্বারা কি তালাক বুঝাইছে কিনা!বলে যে না, এগুলো রাগ করে বলছে।তালাক এর নিয়তে বলেনাই।
আমি জানিনা সে সত্যি কথা বলছে কিনা।।তাহলে আমি কি আমার সংসার কে হালাল ভাবতে পারবো?যেহেতু তার মুখের কথা বিশ্বাস করা ছাড়া আর উপায় নেই।
৫.উস্তায,আল্লাহর রহমতে আমি আগের চেয়ে এখন দ্বীনের পথে আসছি ভালো,আইওএম এ ভর্তির সুযোগ করে দিছেন আল্লাহ,আলহামদুলিল্লাহ।
আমি যদি ভাবি আমার দ্বারা হারাম সংসার হলে হয়তো আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরে যাইতাম আরো,যেহেতু আরো হেদায়েতের পথে আসছি,তাহলে হয়তো আমি যিনার সাথে যুক্ত নাই,আল্লাহ ভরসা।গুনাহ নাকি মানুষকে আরো বেশি গুনাহের দিকে নিয়ে যায়।
আমি কি এরকম ভাবতে পারবো নাকি এটা আমার ভুল ভাবনা?