السلام عليكم ورحمه الله وبركاته
উস্তাদ আমার একজন পরিচিত বোন তার কন্ঠের খুব হেফাজত করে,,এতে তাকে বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় কেননা সেই বোন প্রয়োজনেও কথা বলে না,, যেমন অনেক দূর থেকে বাসায় যাতায়াতের জন্য সে কোনো গাড়ি ভাড়া করে না পুরুষের সাথে কথা বলতে হবে বলে,এবং ভার্সিটিতে ভাইবা পরীক্ষাও দিতে চায় না স্যারদের সাথে কথা বলতে হবে বলে। কিন্তু রিসেন্টলি একজন উস্তাদ থেকে জানতে পারলাম এমন করাটা নাকি বাড়াবাড়ি পর্যায়ের কেননা ইসলাম প্রয়োজনে নারীকে কন্ঠ কঠিন রেখে নন মাহরামদের সাথে কথা বলার অনুমতি দিয়েছে। এবং তিনি এটাও বলেছেন যে আল্লহর রসূলের স্ত্রীগণও পর্দার আড়াল থেকে কথা বলেছে, ওনারাও তো পারতেন সর্বোচ্চ তাকওয়ার জন্য কথা না বলে থাকতে,,আমার ঐ পরিচিত বোন ধারণা করেন এটা সর্বোচ্চ তাকওয়া অবলম্বন।এবং সেই উস্তাদ বলেছিলেন আল্লহর রসূলের স্ত্রীগণ ছিলেন সর্বোচ্চ তাকওয়া অবলম্বনকারীনী। এখন উম্মাহাতুল মু'মিনীনদের থেকেও তাকওয়া অবলম্বন করতে যাওয়াটা তো আসলেই মুশকিল,,,। কেননা এই বোন যা করছে তা বাড়াবাড়ি পর্যায়ের এবং ইসলাম বাড়াবাড়ি এবং ছাড়াছাড়ি করতে নিষেধ করেছে।
আমার প্রশ্ন হলো এটা কী আসলেই বাড়াবাড়ি পর্যায়ে? বা এটা কী তাকওয়া অবলম্বনের সঠিক পথ? এবং এই বোন যে পন্থায় কন্ঠের হেফাজত করাকে সর্বোচ্চ তাকওয়া অবলম্বন বলছে তা কী আসলেই সঠিক পন্থা?