আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
89 views
in পবিত্রতা (Purity) by (7 points)

https://ifatwa.info/136987/

2 নং উত্তর মতে ,আমার এক মাসের মাসিক শেষ হওয়ার ১৫ দিন পর থেকে হাল্কা হলুদ আভার মত আবার কখন ও হাল্কা হলুদ স্রাব আসতে থাকে।৮/৯ থেমে থেমে(১ বার দেখি আবার ১/২ দিন পরে আবার হয়ত একবার দেখা যায় এমন) চলে ।কিন্তু খুব ই খুবি সামান্য। যেঁটা ল্যাবিয়া মাইনোরা(যোনির ভেতরের ছোট ভাঁজ) এ থাকে। যোনির বাইরের বড় ভাঁজ/চামড়ার অংশে(ল্যাবিয়া মেজোরা) তে আসে না।তবে বাথরুম এ গেলে প্রসাবের আগে আঙ্গুল বা টিস্যু দিয়ে আগে চেক করলে তখনি দেখা যায় তাছাড়া বাইরে আসে না।
প্রশ্ন ১ঃ তাহলে এই হলুদ বা হলুদ আভার মত স্রাবকে আমি হায়েজ ধরবো না? যতক্ষণ না স্রাব নিজের থেকে ভেসে যোনির বাইরের বড় ভাঁজ/চামড়ার অংশে(ল্যাবিয়া মেজোরা) তে আসে ?

মাসিকের রক্ত নিজে থেকে ভেসে যোনির বাইরের বড় ভাঁজ/চামড়ার অংশে(ল্যাবিয়া মেজোরা) তে আসার ১/২ দিন আগে দেখা যায় প্রসাবের সাথে মাঝে মাঝে কিছু রক্তের দলা ভেসে যায়

প্রশ্ন ২ঃ তখন সেটাকেও মাসিক ধরবো না? যতক্ষণ না রক্ত অবিরত ভেসে বাইরে বেরিয়ে আসা শুরু হবে?

মাসিকের শেষ দিকে দেখা যায়, রক্ত আসার পরিমান কমে যায়।তাই ৬/৭ তম দিনেই রক্ত ভেসে বাইরের চামড়ায় আসা বন্ধ হয়ে যায় । কিন্তু  স্রাব সাদা থাকে না,হাল্কা লালচে বা অন্য কোন কালার থাকে। যা শুধু  হাত দিয়ে পরিস্কার করার সময় বা টিস্যু চাপ দিয়ে চেক করলে বোঝা যায়।বা প্রসাবের সাথে দলার মত কয়েকবিন্দু ভেসে যায়।

প্রশ্ন ৩ঃতাহলে মাসিকের শেষ দিন ধরবো কবে?৬/৭ তম দিনেই যখন রক্ত ভেসে বাইরের চামড়ায় আসা বন্ধ হয়ে যায় ,তখন? (উল্লেখ্য আমার মাসিক জীবনের শুরু থেকে কতদিনের ছিল সঠিক জানা নাই।আমার মা ধারনা করে বলে ১০ দিন থাকত।আমার মনে হয় ৭/৮ দিন থাক্ত।আমাদের কারই সঠিক দিন মনে নাই।তখন জানতামই না এগুলো এত গুরুত্বপূর্ণ )

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
লজ্জস্থানের বাহিরে রক্তস্রাব বের না হলে হায়েয প্রমাণিত হবে না। একবার হায়েয প্রমাণিত হওয়ার পর সর্বদা রক্তপাত হওয়া শর্ত নয়। সুতরাং হায়েযের সময়ের ভিতর রক্তস্রাব হলে এবং সেই রক্তস্রাব বাহিরে বের না হলেও হায়েয হিসে গণ্য হবে। তবে হায়েযের সময়ের বাহিরে হলে সেই রক্তস্রাব হায়েয হিসেবে গণ্য হবে না।।

لما فى رد المحتار مع الدر المختار:
(قوله: بخلاف الحائض) ... وهذا إذا منعته بعد نزوله إلی الفرج الخارج، کما أفاده البرکوي، لما مرّ أنه لایثبت الحیض إلا بالبروز، لا بالإحساس به، خلافاً لمحمد، فلو أحست به فوضعت الکرسف في الفرج الداخل ومنعته من الخروج فهي طاهرة، کما لو حبس المني في القصبة".(کتاب الطهارة، باب الحیض، مطلب في أحکام المعذور،ج:1،ص:308،ط:سعید) 

(২) মাসিকের শেষ দিকে রক্তস্রাব কমে আসলে সেটাও হায়েয হিসেবে পরিগনিত হবে। 

(৩) যতক্ষণ না রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে সাদাস্রাব আসছে, এর পূর্ব পর্যন্ত হায়েয গণনা করা হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 2,461 views
...