আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
87 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (14 points)
আচ্ছালামু আলাইকুম,

একজনকে আমি ব্যবসায় টাকা দিয়েছি এবং সেই ব্যবসায় কত টাকা কার লাভ হয়েছে সেটা ওই বিবরণীতে দেওয়া আছে চারজন ব্যক্তি ওখানে মোট।  ছবিটি দেখুন এখানে চতুর্থ ব্যক্তিটি হলাম আমি। আমাকে ওই টাকার ২৫% টাকা দিবে এই হিসেবে তাদের সাথে কথা হয়েছে। হিসাব সবকিছু ঠিক আছে কিন্তু উপরে তিনজনার মধ্যে একজন ব্যবসায় টাকা দিয়ে অংশীদার হয়েছে সেটা আমি জানি এবং কত টাকা দিয়েছে সেটা আমি জানি না কিন্তু তারা তো ওখানে দেখাচ্ছে সে এক লাখ টাকা দিয়েছে,  এটা মেনে নিলাম তাদের কথা সত্য মনে করে। কিন্তু আর যে দুইজন বাকি রইল তারাই ব্যবসাটা শুরু করেছে প্রথমে আমার টাকা দিয়ে। এই দুজন প্রথমে ব্যবসা শুরু করার জন্য তাদের কাছে টাকা ছিল না আমি তাদেরকে টাকা দিয়েছিলাম এবং আমি শর্ত দিয়েছিলাম আমাকে তোমাদের ব্যবসার যা লাভ হবে তার ২৫% আমাকে দিতে হবে। আমি যতটা অনুমান করতেছি ব্যবসা শুরু করার সময় তাদের কাছে কোন টাকা ছিল না, আমি প্রথমে তাদেরকে টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু তারা লাভের সময় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেখাচ্ছে যে তারা দিয়েছে দুজনে একলাখ ১লাখ করে ২ লাখ। আমি সত্যিই জানিনা তারা ব্যবসায় আসলেই কি টাকা বিনিয়োগ করেছিল নাকি করেনি। তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম কে কত টাকা দিয়েছিল কিন্তু তারা আমাকে বলেনি কে কত টাকা ব্যবসা দিয়েছে। যাইহোক আমি জানতে চেয়েছি আমাকে বলেনি কিন্তু লাভের টাকা হিসাব করার সময় তারা বিনিয়োগে দেখাচ্ছে তারা এত টাকা দিয়েছে। এখন আমি তাদের এই হিসাবকে সত্য মনে করে আমি কি আমার লাভের টাকা নিতে পারব? এটাই আমার প্রশ্ন।   
ছবির লিংক--- https://ibb.co.com/9HW6QWdh

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
একজনের টাকা এবং অপরজনের শ্রম, এরকম ব্যবসাকে শরীয়তে মুদারাবাহ ব্যবসা বলা হয়। মুদারবাহ ব্যবসা বৈধ। তবে শর্ত হল, পার্সেন্টিস হিসেবে চুক্তি হতে হবে।

পার্সেন্টিছ হিসেবে উভয় চুক্তিকারী নিজ নিজ হিসসায় যতটুকুর জন্য সম্মত হবে, তারা ততটুকুই মুনাফা পাবে। নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বা বস্তুকে নির্দিষ্ট  করা জায়েয হবে না।
قال صاحب الهداية: (وَمِنْ شَرْطِهَا أَنْ يَكُونَ الرِّبْحُ بَيْنَهُمَا مُشَاعًا لَا يَسْتَحِقُّ أَحَدُهُمَا دَرَاهِمَ مُسَمَّاةً) مِنْ الرِّبْحِ لِأَنَّ شَرْطَ ذَلِكَ يَقْطَعُ الشَّرِكَةَ بَيْنَهُمَا وَلَا بُدَّ مِنْهَا كَمَا فِي عَقْدِ الشَّرِكَةِ.(الهداية-3/226)
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/4190

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
কেউ যদি মিথ্যা বলে আপনার কাছ থেকে অতিরিক্ত লাভ নিতে চায়, তাহলে গোনাহ তারই হবে। আপনার এক্ষেত্রে কোনো গোনাহ হবে না। আপনি যেহেতু ব্যবসার জন্য নির্ধারিত লাভের পার্সেন্টিজ ঠিক করে দিছেন, তাই আপনার কোনো গোনাহ হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...