আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
56 views
in সালাত(Prayer) by (13 points)
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
আমার সালাতের বিষয়ে একটি প্রশ্ন ছিল।

ট্রেনে আসার সময় এক স্টেশনে আমার(মেয়ে) ট্রেন নষ্ট হয়ে যায়, পৌনে ১টায় থামে। প্রথমে ভেবেছিলাম আধা ঘন্টার মধ্যে হয়ত ছেড়ে দিবে।

সময় বাড়তে থাকে।ট্রেন ছাড়ছেনা। লেট হচ্ছিল দেখে আমরা আশেপাশের জায়গাটা বেশ কয়েকবার ঘুরে দেখি।

মসজিদ ছিল কাছেই মেয়েদের আলাদা অযু নামাজের ব্যবস্থা নাই বাজার এরিয়া।

অযুখানায় পুরুষ সবসময়ই কয়েকজন করে ছিল।নিকাব খুলে অযু করলে পর্দার ব্যাঘাত হতো।

অযুখানায় আরও কিছু প্রবলেম ছিল যে কারণে কোনো মেয়ের ঐখানে গিয়ে অযু করার মতো অবস্থা ছিল না।

 অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও কোনো ব্যবস্থা না হওয়ায় আর ট্রেন কখন ছেড়ে দেয় অনিশ্চিতয়তার জন্য আমি তায়ামুম করে মসজিদে একটা পাশে কসর সালাত আদায় করি।(সফর দূরত্বে ছিলাম তখন)
দয়া করে যদি বলেন এ পরিস্থিতিতে কি করণীয় ছিল?

1 Answer

0 votes
by (805,200 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
পর্দার সুবিধার্থে নারীরা কি তায়াম্মুম করতে পারবে?
এমন প্রশ্নের জবাবে বলা যায় যে,
ইসলামি রাষ্ট্রর জন্য ওয়াজিব যে, রাস্তার পাশে ও বাস/রেল ষ্টেশনে নারী পুরুষের জন্য পৃথক পৃথক নামাযের স্থান বা মসজিদ নির্মাণ করে দিবে। সাথে সাথে নারীদের জন্যও ওয়াজিব যে,তারা নামাযের ওয়াক্তকে বিবেচনা করে ঘরের বাইরে বের হবে।

যদি কখনো ঘরের বাহিরে থাকাবস্থায় নামাযের সময় হয়ে যায়,তাহলে নির্জনে পবত্রতা অর্জন ও নামায পড়া যায়, এমন কোনো স্থানের তালাশ করতে হবে। সাথের মাহরামকে নিয়ে নামাযের শেষ ওয়াক্ত পর্যন্ত নির্জন স্থানের তালাশে লেগে থাকতে হবে। নিরাপদ স্থান দেখে কোনো বাসা বাড়িতে নামাযের জন্য উঠতে হবে।এবং তথায় পর্দার সাথে অজু ও নামায পড়তে হবে। এই চেষ্টা নামাযের শেষ ওয়াক্ত পর্যন্ত করতে হবে।

যদি শতচেষ্টার পরও কোনো মহিলা পর্দা সম্মত অজু ও নামাযের স্থান না পায়। এবং তখন অজুর তুলনায় তায়াম্মুমকে পর্দার জন্য সুবিধাজনক মনে হয়, তাহলে মহিলা তায়াম্মুম করে নামাযকে আদায় করে নিবে। যেহেতু পর্দা সম্মত নামাযের ব্যবস্থার চেষ্টা সে শেষ ওয়াক্ত পর্যন্ত করেছে, তাই তায়াম্মুম দ্বারা আদায়কৃত ঐ নামাযকে আর দোহড়াতে হবে না। বরং তা যিম্মা থেকে আদায় হয়ে যাবে।

কিন্তু যদি কেউ পর্দার সাথে অজু ও নামায পড়ার চেষ্টা ব্যতীত ওয়াক্তের প্রথমেই তায়াম্মুম করে নেয়,এবং ঐ তায়াম্মুম দ্বারা নামায আদায় করে নেয়, তাহলে এই তায়াম্মুম দ্বারা আদায়কৃত নামাযকে পানি দ্বারা অজু সহ আবার পূনরায় আদায় করতে হবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1728


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...