ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
মুসাল্লির এমন নড়াচড়া যা নামায পরিপন্থী, তা দু-ভাগে বিভক্ত-
(ক)পরিমাণে সামান্য, যাকে শরয়ী পরিভাষায় 'আ'মলে ক্বালীল' বলা হয়ে থাকে।
(খ)পরিমাণে বেশী যাকে শরয়ী পরিভাষায় 'আ'মলে কাসির' বলা হয়ে থাকে।
নামাযরত অবস্থায় মুসাল্লির কোনো প্রকার হারকাত/নড়াচড়া 'আ'মলে কাছির' বলে প্রমাণিত হলে,উক্ত মুসাল্লির নামায সর্বসম্মতিক্রমে ফাসিদ হয়ে যাবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/445
হযরত আবু কাতাদাহ রাযি থেকে বর্ণিত,
”ان رسول اللہ صلی اللہ علیہ وسلم کان یصلی وھو حامل امامة بنت زینب۔۔الخ “(صحیح البخاری، کتاب الصلوۃ، جلد 1، صفحہ 74، مطبوعہ کراچی)
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমামা বিনতে যায়নাব রাযি কে কোলে নিয়ে নামায পড়েছেন।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) বাচ্চা জায়নামাজে চলে আসলে বাচ্চাকে না সরিয়ে নামায পড়া সম্ভব হলে তখন বাচ্চাকে না সরিয়েই নামায পড়তে হবে। তবে যদি বাচ্চাকে না সরিয়ে নামায পড়া সম্ভব না হয়, তাহলে বাচ্চাকে সরিয়েই নামায পড়তে হবে। এক্ষেত্রে বাচ্চাকে সরানোর বিষয়টা আমলে কাছির হবে না।
(২) মোটা কাপড় (কম্বল, সোয়েটার, মোটা বেডশীট) এগুলোকে ৩ বার নিংড়াতে অনেক কষ্ট হলে যতবার সম্ভব ততবারই নিংড়াতে হবে। যদি একবার সম্ভব না হয়, তাহলে শুধুমাত্র ধৌত করার দ্বারাও পবিত্র হয়ে যাবে।
(৩) কুরআন শিক্ষাদান করে মানে আরবী হরফ, নিয়ম এসব শিখিয়ে অর্থ উপার্জন করা জায়েয হবে।
(৪) স্বামীর অনুমতি ব্যতীত ঘরে বসে অর্থ উপার্জন করা যাবে।