আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। এইগুলা কি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত?
১। ১৮১. বাজারে যাওয়ার পর এই দু‘আ পড়বে
۞ لَا اِلٰهَ اِلَّااللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ . لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ. يُحْيِيْ ويُمِيْتُ وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوْتُ. بِيَدِه الْخَيْرُ وَهُوَ عَلٰی كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ইউহয়ী ওয়া ইউমীতু ওয়া হুয়া হাইয়্যুন লা ইয়ামূতু বিয়াদিহিল খইর, ওয়া
হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর।
এক আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত অন্য কোনো মা’বূদ নেই। তিনি এক। তাঁর কোনো শরিক নেই। সকল রাজত্ব তাঁরই জন্যে। সকল প্রশংসা তাঁরই। তিনিই জীবিত করেন, তিনিই মৃত্যু দেন। এবং তিনিই চিরঞ্জীব। তিনি কখনো মৃত্যু বরণ করেন না। তাঁর হাতেই সকল কল্যাণের চাবিকাঠি। তিনিই সর্বশক্তিমান।
হযরত উমর (রাযি) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি বাজারে প্রবেশ করে এই দু‘আ পড়ে আল্লাহ তা’আলা তাঁর জন্য দশ লক্ষ নেকী লিখে দেন, দশ লক্ষ গুনাহ মিটিয়ে দেন এবং তার দশ লক্ষ মর্তবা উন্নত করে দেন। এক বর্ণনায় দশ লক্ষ মর্তবা উন্নত করার পরিবর্তে জান্নাতে একটি মহল তৈরি করে দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
২।২০৫. শাষকের যুলুম থেকে আত্মরক্ষার দু‘আ
۞ اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، كُنْ لِيْ جَارًا مِنْ فُلَانِ بْنِ فُلَانٍ وَأَحْزَابِه مِنْ خَلَائِقِكَ؛ أَنْ يَّفْرُطَ عَلَيَّ أَحَدٌ مِنْهُمْ، أَوْ يَطْغَى، عَزَّ جَارُكَ، وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ، وَلَا اِلٰهَ اِلَّا أَنْتَ
আল্লাহুম্মা রাব্বাস সামা-ওয়া-তিস সাব‘ই ওয়া রাব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম, কুন লী জা-রান মিন ফুলা-ন ইবনু ফুলা- ন ওয়া আ‘হযা-বিহী মিন খালা-ইক্বিকা আইঁ ইয়াফরুত্বা ‘আলাইয়্যা আ‘হাদুম মিনহুম আও ইয়াত্বগা-, ‘আযযা জা- রুকা ওয়া জাল্লা সানা-উকা, ওয়া লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা
হে আল্লাহ, সাত আসমানের প্রভু ও মহান আরশের প্রভু, আপনি আমাকে আশ্রয় প্রদান করেন অমুকের পুত্র অমুক (সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম মনে স্মরণ করবে) থেকে এবং আপনার সৃষ্টির মধ্য থেকে যারা তার দলবলে রয়েছে তাদের থেকে, তাদের কেউ যেন আমার বিষয়ে সীমালঙ্ঘন করতে না পারে বা আমার উপর অত্যাচার বা বিদ্রোহ করতে না পারে। আপনার প্রশংসা মহিমান্বিত। আপনি ছাড়া কোনো মা’বূদ নেই।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযি) বলেন, তোমাদের কেউ নিজের উপর তাদের শাসকের স্বৈরাচারিতা বা অত্যাচারের আশঙ্কা করলে সে যেন এই দু‘আ পাঠ করে।
৩।১৮৪. কারো মুসিবত দেখলে নীরবে এই দু‘আ পড়বে
۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ عَافَانِيْ مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهٖ وَفَضَّلَنِيْ عَلٰی كَثِيْرٍ مِّمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيْلًا
আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী ‘আাফানী মিম্মাবতালাকা বিহি ওয়া ফাযযালানী ‘আলা কাসীরিম মিম্মান খলাক্বা তাফযীলা।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য যিনি আমাকে সেই অবস্থা থেকে রক্ষা করেছেন যাতে তোমাকে আক্রান্ত করেছেন এবং তিনি আমাকে তার অনেক মাখলূকের উপর সম্মান দান করেছেন।
হযরত উমর (রাযি) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি কোন বিপদগ্রস্থকে দেখে এই দু‘আ পড়ে নেয়, উক্ত দু‘আ পাঠকারী সারাজীবন সেই বিপদ থেকে নিরাপদ থাকবে, চাই সে বিপদ যেমন-ই হোক না কেন।
ফায়দা
হযরত জাফর (রাযি) বলেন, এই দু‘আ মনে মনে পড়বে বিপদগ্রস্থ ব্যক্তিকে শুনিয়ে পড়বে না। ( সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৩৪৩১)