আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির মূলত রুকইয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন। রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য— এখানে ক্লিক করুন

0 votes
31 views
in সুন্নাহ-বিদ'আহ (Sunnah and Bid'ah) by (39 points)

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ।  এইগুলা কি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত? 

১। ১৮১. বাজারে যাওয়ার পর এই দু‘আ পড়বে

 

۞ لَا اِلٰهَ اِلَّااللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ . لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ. يُحْيِيْ ويُمِيْتُ وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوْتُ. بِيَدِه الْخَيْرُ وَهُوَ عَلٰی كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

 

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ইউহয়ী ওয়া ইউমীতু ওয়া হুয়া হাইয়্যুন লা ইয়ামূতু বিয়াদিহিল খইর, ওয়া

হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর।

 

এক আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত অন্য কোনো মা’বূদ নেই। তিনি এক। তাঁর কোনো শরিক নেই। সকল রাজত্ব তাঁরই জন্যে। সকল প্রশংসা তাঁরই। তিনিই জীবিত করেন, তিনিই মৃত্যু দেন। এবং তিনিই চিরঞ্জীব। তিনি কখনো মৃত্যু বরণ করেন না। তাঁর হাতেই সকল কল্যাণের চাবিকাঠি। তিনিই সর্বশক্তিমান।

 

হযরত উমর (রাযি) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি বাজারে প্রবেশ করে এই দু‘আ পড়ে আল্লাহ তা’আলা তাঁর জন্য দশ লক্ষ নেকী লিখে দেন, দশ লক্ষ গুনাহ মিটিয়ে দেন এবং তার দশ লক্ষ মর্তবা উন্নত করে দেন। এক বর্ণনায় দশ লক্ষ মর্তবা উন্নত করার পরিবর্তে জান্নাতে একটি মহল তৈরি করে দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

২।২০৫. শাষকের যুলুম থেকে আত্মরক্ষার দু‘আ

 

۞ اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، ‌كُنْ ‌لِيْ ‌جَارًا ‌مِنْ فُلَانِ بْنِ فُلَانٍ وَأَحْزَابِه مِنْ خَلَائِقِكَ؛ أَنْ يَّفْرُطَ عَلَيَّ أَحَدٌ مِنْهُمْ، أَوْ يَطْغَى، عَزَّ جَارُكَ، وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ، وَلَا اِلٰهَ اِلَّا أَنْتَ

 

আল্লাহুম্মা রাব্বাস সামা-ওয়া-তিস সাব‘ই ওয়া রাব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম, কুন লী জা-রান মিন ফুলা-ন ইবনু ফুলা- ন ওয়া আ‘হযা-বিহী মিন খালা-ইক্বিকা আইঁ ইয়াফরুত্বা ‘আলাইয়্যা আ‘হাদুম মিনহুম আও ইয়াত্বগা-, ‘আযযা জা- রুকা ওয়া জাল্লা সানা-উকা, ওয়া লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা

 

হে আল্লাহ, সাত আসমানের প্রভু ও মহান আরশের প্রভু, আপনি আমাকে আশ্রয় প্রদান করেন অমুকের পুত্র অমুক (সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম মনে স্মরণ করবে) থেকে এবং আপনার সৃষ্টির মধ্য থেকে যারা তার দলবলে রয়েছে তাদের থেকে, তাদের কেউ যেন আমার বিষয়ে সীমালঙ্ঘন করতে না পারে বা আমার উপর অত্যাচার বা বিদ্রোহ করতে না পারে। আপনার প্রশংসা মহিমান্বিত। আপনি ছাড়া কোনো মা’বূদ নেই।

 

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযি) বলেন, তোমাদের কেউ নিজের উপর তাদের শাসকের স্বৈরাচারিতা বা অত্যাচারের আশঙ্কা করলে সে যেন এই দু‘আ পাঠ করে।

 

৩।১৮৪. কারো মুসিবত দেখলে নীরবে এই দু‘আ পড়বে

 

۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ عَافَانِيْ مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهٖ وَفَضَّلَنِيْ عَلٰی كَثِيْرٍ مِّمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيْلًا

 

আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী ‘আাফানী মিম্মাবতালাকা বিহি ওয়া ফাযযালানী ‘আলা কাসীরিম মিম্মান খলাক্বা তাফযীলা।

 

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য যিনি আমাকে সেই অবস্থা থেকে রক্ষা করেছেন যাতে তোমাকে আক্রান্ত করেছেন এবং তিনি আমাকে তার অনেক মাখলূকের উপর সম্মান দান করেছেন।

 

হযরত উমর (রাযি) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি কোন বিপদগ্রস্থকে দেখে এই দু‘আ পড়ে নেয়, উক্ত দু‘আ পাঠকারী সারাজীবন সেই বিপদ থেকে নিরাপদ থাকবে, চাই সে বিপদ যেমন-ই হোক না কেন।

ফায়দা

হযরত জাফর (রাযি) বলেন, এই দু‘আ মনে মনে পড়বে বিপদগ্রস্থ ব্যক্তিকে শুনিয়ে পড়বে না। ( সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৩৪৩১)

1 Answer

0 votes
by (784,260 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ فَحَدَّثَنِي عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ دَخَلَ السُّوقَ فَقَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكُ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ حَىٌّ لاَ يَمُوتُ بِيَدِهِ الْخَيْرُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ كَتَبَ اللَّهُ لَهُ أَلْفَ أَلْفِ حَسَنَةٍ وَمَحَا عَنْهُ أَلْفَ أَلْفِ سَيِّئَةٍ وَرَفَعَ لَهُ أَلْفَ أَلْفِ دَرَجَةٍ
মুহাম্মাদ ইবনু ওয়াসি’ (রহঃ) বলেন, আমি মক্কায় পৌছালে আমার ভাই সালিম ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) আমার সঙ্গে দেখা করেন। তিনি তার বাবা হতে, তার দাদার সনদে আমার কাছে হাদীস রিওয়ায়াত করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক বাজারে প্রবেশ করে বলে, “আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত কোন মা’বূদ নেই, তিনি এক, তার কোন অংশীদার নেই, সকল ক্ষমতা তারই, সমস্ত প্রশংসা তার জন্য, তিনিই প্রাণ দান করেন ও মৃত্যু দেন, তিনি চিরজীবি, তিনি কক্ষনো মৃত্যুবরণ করবেন না, তার হাতেই মঙ্গল এবং তিনিই সবসময় প্রত্যেক বস্তুর উপর ক্ষমতার অধিকার",

তার জন্য আল্লাহ তা’আলা দশ লক্ষ নেকী বরাদ্দ করেন, তার দশ লক্ষ গুনাহ মাফ করেন এবং তার দশ লক্ষ গুণ সম্মান বৃদ্ধি করেন।(সুনানে তিরমিযি-৩৪২৮ ইবনু মাজাহ- ২২৩৫)

(২) দ্বিতীয় দু'আটি ইমাম বোখারী আল-আদাবুল মুফরাদ কিতাবে বর্ণনা করেন।

(৩) হাদিসটি সুনানু ইবনে মাজাহ ৩৮৯২, সুনানে তিরমিজী ৩৪৩১ এ বর্ণিত রয়েছে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...