বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) ইমাম সাহেবের সামনে নামাযে দাড়ানো যাবে না। মসজিদুল হারামে যেহেতু কাবাকে কিবলা রেখে নামায আদায় করা হয়, তাই কা'বার চতুর্দিকে নামাযে দাড়ানো হয়। চতুর্দিকে দাড়াতে হলে কাবা থেকে ইমাম সাহেব যতটুকু দূরত্বে দাড়াবেন, মুক্তাদিকে কাবা থেকে এরচেয়ে কিছু বেশী দূরত্বে দাড়াতে হবে। তখনো ইমাম সাহেব থেকে কম দূরত্বে দাড়ানো জায়েয হবে না।
(২) পরিত্যক্ত বাসায় জীনদের বসবাস নিশ্চিত কিছু নয়। সুতরাং পরিত্যক্ত বাসায় বসতি স্থাপনের জন্য কোনো কিছু করা জরুরী নয়। হ্যা, আপনি চাইলে সূরা বাকারা তিলাওয়াত করতে পারেন।
(৩) রোজা অবস্থায় সহবাস ব্যতীত স্ত্রীর সাথে মেলামেশার কারণে স্বামীর যদি বীর্যপাত ঘটে;তবে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে যৌনাঙ্গে প্রবেশ করা ব্যতীত সব কিছুই সম্পন্ন হয় সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না যদি না বীর্যপাত ঘটে। কেবল বীর্যপাত ঘটলেই রোযা ফাসিদ হবর। নফল রোযা ভঙ্গ হলে কাযা করা ওয়াজিব।
(৪) রোজা অবস্থায় সহবাস ব্যতীত স্বামীর সাথে মেলামেশার এবং স্বামীর আঙ্গুল দ্বারা যৌনাঙ্গে নাড়াচাড়ার কারণে সুখানুভূতি হয় এবং সাদাস্রাব এর মত পদার্থ বের হয়,তবে স্ত্রীর রোজা ভঙ্গ হবে না। এটা মযি। শুধুমাত্র বীর্যপাত হলেই রোযা ফাসিদ হবে।
রমজানের কাযা ভঙ্গ হলে কেবল কা'যাই আসবে।কাফফারা আসবে না।
(৫) রোজা অবস্থায় স্বামী স্ত্রী একে অপরের স্তন চোষণ মাকরুহ। ঠোঁটে চুমু খাওয়াও মাকরুহ। ভিতরে কিছু চলে গেলে রোযা ফাসিদ হয়ে যাবে।
(৬) বাচ্চাদের খেলনা হিসেবে একধরনের ঝুনঝুনি আছে,যেটা নাড়ালে আওয়াজ হয়। এটা ব্যবহার করা জায়েয হবে না।